June 25, 2021, 5:32 pm

আশুলিয়ায় ফের বেপরোয়া পরিবহন চাঁদাবাজরা

সুচিত্রা রায় ঢাকা ব্যুরো:

করোনা মহামারিতে ঈদ কে সামনে রেখে আশুলিয়ায় গণপরিবহন চাঁদাবাজরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই চক্র গণপরিবহনসহ মাহাসড়কে চলাচলরত ছোট বড় বিভিন্ন গাড়ী থেকে মাসিক ও দৈনিক ভিত্তিতে তাদের ধায্যকরা নিদ্ধারিত চাঁদা আদায় করে ।

মাঝে পুলিশের ততপরতায় কিছুদিন চাঁদা তোলা বন্ধ থাকলেও আসন্ন ঈদ কে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চাঁদাবাজরা। চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই বেধরক মারধরের অভিযোগ তুলেছে শ্রমিকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতা সাবেক যুবদল নেতা জিএম মিন্টু অরফে ওয়েলকাম মিন্টু। এর আগে সে চাঁদাবাজির অভিযোগে থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছেন। এই মিন্টুর নেতৃত্বেই আহসান,সোহেল,মনিরসহ প্রায় ১০/১২জন নবীনগর স্মৃতিসৌধ এলাকায় পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করে।

নবীনগর জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাসস্ট্যান্ডে কয়েকজন পরিবহন শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, আহসান,সোহেল,মনির নামের কয়েকজন টাকা তোলে ।

আহসানের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ওয়েলকাম পরিবহনের স্টাফ। আপনি কিসের টাকা তোলেন জিজ্ঞেস করতেই বলল আমি ওয়েলকাম পরিবহনের গাড়ি দেখাশোনা করি। নবীনগর আপনাদের স্টাফ কতজন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আর মনির। তাহলে জিএম মিন্টু ওয়েলকাম পরিবহনের কি? আহসান জানায়, মিন্টু নবীনগর শ্রমিকদের নেতা।

এব্যাপারে একজন পরিবহন মালিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, আমরা কয়েকজন মিলে পাটুরিয়া থেকে আব্দুল্লাপুর ইয়ারপোর্ড রোডে ২৪/২৫টা গাড়ী চালাই, লগডাউনে সব গাড়ী বন্ধ ছিল। তবুও জিএম মিন্টুকে গাড়ী প্রতি একশত টাকা করে তাঁর বিকাশে দিতে হতো। গত বৃহস্পতিবার থেকে সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী গাড়ী চালানো শুরু করলে সে আমাদের স্টাফদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এই করোনা মহামারিতে খেয়ে পড়ে বাঁচাই দায়, তাঁদের চাঁদা কিভাবে দিবো?

এব্যাপারে জিএম মিন্টু বলেন, আমি নিজেই গাড়ীর মালিক, কয়েকটা ব্যানারে আমার গাড়ী চলে। আমি টাকা নিতে যাবো কেন? আমি সবসময় শ্রমিকের পক্ষে কথা বলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ:
BengaliEnglish