চুয়াডাঙ্গা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবি নজরুল বাংলার শ্রেষ্ঠ সম্পদ : বাংলাদেশ ন্যাপ

Padma Sangbad
১০৬

‘আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা, বাঙালী ও শোষিত-নিপিড়িত মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তিনি আমাদের রেনেসাঁর অগ্রদূত। কাজী নজরুল না জন্মালে অবহেলিত-বঞ্চিত-শোষিত বাঙ্গালী মুসলমানের আত্মদর্শন সম্ভব হতোনা’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয়।

রবিবার (২৪ মে) ২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাপ প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য ও ব্যতিক্রম সৃষ্টি ধারা ও উজ্জ্বল কর্মপ্রবাহ বাংলা সাহিত্যকে যেমন দিয়েছে সমৃদ্ধ সংযোজন তেমনি বাঙালি জাতিকে দিয়েছে গভীর প্রণোদনা শক্তি। নজরুল চেতনা ও তাঁর দর্শন দিয়েছে নব নব পথের সন্ধ্যান। জাতীয় কবি হিসাবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির পর বর্তমান জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব হলো নজরুলকে প্রতিষ্ঠা। তার অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যের চেতনা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়া।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘‘দ্রোহ’ যেমন দিয়েছে তাকে বিদ্রোহী’র অপরাজেয় মুকুট, তেমনি বাংলা তথা ভারতবাসী’র অন্তরস্থিত চেতনায় দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে যা উদ্দীপনার উৎস রূপে প্রতিভাত হয়। কাজী নজরুল ইসলাম সাম্রাজ্যবাদের ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁর রচনা ও তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মতৎপরতার মধ্যে বিদেশী শক্তির শোষণ দু:শাসন থেকে মুক্তিই ছিলো প্রধান লক্ষ্য।’

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম সাম্রাজ্যবাদরে কালো থাবা থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কলম হয়েছিল তাঁর অস্ত্র। ইংরেজদের শোষণ অপশাসন জাতির অবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছিলো। ইংরেজদের মূল লক্ষ্য সমস্ত অর্থ ও সম্পদ লুট এবং নিজ দেশে পাচার করা। নবযুগে কাজ করার সময় নজরুলের রাজনৈতিক চিন্তার পরিপক্কতা তৈরি হয়। বিস্তার ঘটেছে রাজনৈতিক চিন্তার।’

তারা বলেন, ‘বৃটিশদের হাত থেকে ভারতের স্বাধীনতায় যেমন কাজী নজরুল ইসলামের অবদান রয়েছে তেমনি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে কবি হয়েছেন প্রণোদনা শক্তি। ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছে ব্রিটিশ সরকার। দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, ঔপনিবেশিক শোষণ শাসনের বিরুদ্ধে জ্বলন্ত প্রতিবাদ কাজী নজরুল ইসলাম। ’

আপডেট : ০১:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

কবি নজরুল বাংলার শ্রেষ্ঠ সম্পদ : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট : ০১:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
১০৬

‘আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা, বাঙালী ও শোষিত-নিপিড়িত মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তিনি আমাদের রেনেসাঁর অগ্রদূত। কাজী নজরুল না জন্মালে অবহেলিত-বঞ্চিত-শোষিত বাঙ্গালী মুসলমানের আত্মদর্শন সম্ভব হতোনা’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয়।

রবিবার (২৪ মে) ২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাপ প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য ও ব্যতিক্রম সৃষ্টি ধারা ও উজ্জ্বল কর্মপ্রবাহ বাংলা সাহিত্যকে যেমন দিয়েছে সমৃদ্ধ সংযোজন তেমনি বাঙালি জাতিকে দিয়েছে গভীর প্রণোদনা শক্তি। নজরুল চেতনা ও তাঁর দর্শন দিয়েছে নব নব পথের সন্ধ্যান। জাতীয় কবি হিসাবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির পর বর্তমান জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব হলো নজরুলকে প্রতিষ্ঠা। তার অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যের চেতনা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়া।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘‘দ্রোহ’ যেমন দিয়েছে তাকে বিদ্রোহী’র অপরাজেয় মুকুট, তেমনি বাংলা তথা ভারতবাসী’র অন্তরস্থিত চেতনায় দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে যা উদ্দীপনার উৎস রূপে প্রতিভাত হয়। কাজী নজরুল ইসলাম সাম্রাজ্যবাদের ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁর রচনা ও তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মতৎপরতার মধ্যে বিদেশী শক্তির শোষণ দু:শাসন থেকে মুক্তিই ছিলো প্রধান লক্ষ্য।’

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম সাম্রাজ্যবাদরে কালো থাবা থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কলম হয়েছিল তাঁর অস্ত্র। ইংরেজদের শোষণ অপশাসন জাতির অবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছিলো। ইংরেজদের মূল লক্ষ্য সমস্ত অর্থ ও সম্পদ লুট এবং নিজ দেশে পাচার করা। নবযুগে কাজ করার সময় নজরুলের রাজনৈতিক চিন্তার পরিপক্কতা তৈরি হয়। বিস্তার ঘটেছে রাজনৈতিক চিন্তার।’

তারা বলেন, ‘বৃটিশদের হাত থেকে ভারতের স্বাধীনতায় যেমন কাজী নজরুল ইসলামের অবদান রয়েছে তেমনি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে কবি হয়েছেন প্রণোদনা শক্তি। ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছে ব্রিটিশ সরকার। দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, ঔপনিবেশিক শোষণ শাসনের বিরুদ্ধে জ্বলন্ত প্রতিবাদ কাজী নজরুল ইসলাম। ’