চুয়াডাঙ্গা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ৮ নেতাকর্মী আটক

Padma Sangbad
১০২

চুয়াডাঙ্গায় গণমিছিলের প্রস্তুতির সময় জেলা বিএনপির ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়। এতে পন্ড হয়ে যায় কর্মসূচি।

আটক হলেন-জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফসহ, সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আবু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, বিএনপি নেতা আবু হানিফ, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব খাঁন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি কৌশিক আহমেদ রানা, ইমরান ও ছাত্রদল নেতা আরমান খান।

বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের গ্রেপ্তার হওয়া সকল নেতাদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবিতে গণমিছিলের প্রস্তুতি নিতে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব এলাকায় জড়ো হচ্ছিলেন নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। সেখান থেকে তাদের আটক করা হয়।

নেতাকর্মীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করার প্রস্তুতির সময় তা পন্ড করতে পুলিশ সদস্যরা নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পরে তাদেরকে জোরপূর্বক আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান লালন জানান, বিএনপির মিছিল থেকে হামলা, ভাঙচুর ও পরিস্থিতি অশান্ত করার পরিকল্পনার তথ্য ছিল। তবে আটকদের ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আপডেট : ১০:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ৮ নেতাকর্মী আটক

আপডেট : ১০:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২
১০২

চুয়াডাঙ্গায় গণমিছিলের প্রস্তুতির সময় জেলা বিএনপির ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়। এতে পন্ড হয়ে যায় কর্মসূচি।

আটক হলেন-জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফুজ্জামান শরীফসহ, সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আবু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, বিএনপি নেতা আবু হানিফ, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব খাঁন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি কৌশিক আহমেদ রানা, ইমরান ও ছাত্রদল নেতা আরমান খান।

বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের গ্রেপ্তার হওয়া সকল নেতাদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবিতে গণমিছিলের প্রস্তুতি নিতে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব এলাকায় জড়ো হচ্ছিলেন নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। সেখান থেকে তাদের আটক করা হয়।

নেতাকর্মীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করার প্রস্তুতির সময় তা পন্ড করতে পুলিশ সদস্যরা নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পরে তাদেরকে জোরপূর্বক আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান লালন জানান, বিএনপির মিছিল থেকে হামলা, ভাঙচুর ও পরিস্থিতি অশান্ত করার পরিকল্পনার তথ্য ছিল। তবে আটকদের ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।