চুয়াডাঙ্গা ১২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ রেজুলেশনে বঙ্গবন্ধুর উক্তি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’

Padma Sangbad
৪৪

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই উক্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩’ শীর্ষক রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হয়েছে।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদের প্লেনারিতে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। রেজুলেশনের চতুদর্শ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা হয় বঙ্গবন্ধুর ওই উক্তি।
বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হয়েছে। রেজুলেশনটির চতুদর্শ অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি যেভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে, তা হলো ‘দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে সহায়তা করবে।
উল্লেখ্য ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণদানকালে জাতির পিতা যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়। রেজুলেশনটিতে দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশসহ ৭০টি দেশ কো-স্পন্সর করে।

আপডেট : ১১:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

জাতিসংঘ রেজুলেশনে বঙ্গবন্ধুর উক্তি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’

আপডেট : ১১:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২
৪৪

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তি ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই উক্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩’ শীর্ষক রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হয়েছে।
আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদের প্লেনারিতে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। রেজুলেশনের চতুদর্শ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা হয় বঙ্গবন্ধুর ওই উক্তি।
বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হয়েছে। রেজুলেশনটির চতুদর্শ অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি যেভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে, তা হলো ‘দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে সহায়তা করবে।
উল্লেখ্য ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণদানকালে জাতির পিতা যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়। রেজুলেশনটিতে দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশসহ ৭০টি দেশ কো-স্পন্সর করে।