চুয়াডাঙ্গা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিশ্রম করলেই কি মিলছে প্রাপ্য? শ্রমের ঘামে ভিজেও বঞ্চিত সাধারণ মানুষ

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

২৬৪

দৈনিক পদ্মা সংবাদ,
নিজস্ব প্রতিবেদক।
এই পৃথিবীতে যুগের পর যুগ ধরে একটি কথা প্রচলিত“পরিশ্রম করলেই মিলবে ভাত।” বাস্তবতার নিরিখে অনেকেই একথা স্বীকার করেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পরিশ্রম করলে কি সত্যিই মানুষ তার ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছে?
দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন গায়ে-গতরে খেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, কেউ বা কারখানার শ্রমিক। সূর্য ওঠার আগেই তাদের দিন শুরু হয়, শেষ হয় গভীর রাতে। তবুও জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করাই যেন তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাস্তবতা হলো, এই কঠোর পরিশ্রম করেও অনেকেই গাড়ি-বাড়ি তো দূরের কথা, একটি স্থায়ী বসবাসের জায়গাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। দামি পোশাক, উন্নত জীবনযাপন এসব তাদের কাছে স্বপ্নের মতোই থেকে যাচ্ছে।
অন্যদিকে সমাজের এক শ্রেণির মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে, শারীরিক শ্রম ছাড়াই কৌশল ও বুদ্ধির জোরে বিপুল অর্থ উপার্জন করছেন। শ্রমের ঘাম ঝরাতে না হলেও, অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তারা হয়ে উঠছেন আরও ধনী। এতে করে সম্পদের বৈষম্য দিন দিন বাড়ছে, আর দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্যও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল পরিশ্রম নয় ন্যায্য মজুরি, সঠিক মূল্যায়ন এবং সুষম অর্থনৈতিক নীতিই পারে এই বৈষম্য কমাতে। তা না হলে “পরিশ্রমেই সাফল্য” এই প্রচলিত ধারণা ধীরে ধীরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই পরিশ্রম করলে যদি প্রাপ্য না মেলে, তবে এই কঠোর শ্রমের মূল্য কোথায়?

আপডেট : ১১:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

পরিশ্রম করলেই কি মিলছে প্রাপ্য? শ্রমের ঘামে ভিজেও বঞ্চিত সাধারণ মানুষ

আপডেট : ১১:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
২৬৪

দৈনিক পদ্মা সংবাদ,
নিজস্ব প্রতিবেদক।
এই পৃথিবীতে যুগের পর যুগ ধরে একটি কথা প্রচলিত“পরিশ্রম করলেই মিলবে ভাত।” বাস্তবতার নিরিখে অনেকেই একথা স্বীকার করেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পরিশ্রম করলে কি সত্যিই মানুষ তার ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছে?
দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন গায়ে-গতরে খেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, কেউ বা কারখানার শ্রমিক। সূর্য ওঠার আগেই তাদের দিন শুরু হয়, শেষ হয় গভীর রাতে। তবুও জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করাই যেন তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাস্তবতা হলো, এই কঠোর পরিশ্রম করেও অনেকেই গাড়ি-বাড়ি তো দূরের কথা, একটি স্থায়ী বসবাসের জায়গাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। দামি পোশাক, উন্নত জীবনযাপন এসব তাদের কাছে স্বপ্নের মতোই থেকে যাচ্ছে।
অন্যদিকে সমাজের এক শ্রেণির মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে, শারীরিক শ্রম ছাড়াই কৌশল ও বুদ্ধির জোরে বিপুল অর্থ উপার্জন করছেন। শ্রমের ঘাম ঝরাতে না হলেও, অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তারা হয়ে উঠছেন আরও ধনী। এতে করে সম্পদের বৈষম্য দিন দিন বাড়ছে, আর দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্যও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল পরিশ্রম নয় ন্যায্য মজুরি, সঠিক মূল্যায়ন এবং সুষম অর্থনৈতিক নীতিই পারে এই বৈষম্য কমাতে। তা না হলে “পরিশ্রমেই সাফল্য” এই প্রচলিত ধারণা ধীরে ধীরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই পরিশ্রম করলে যদি প্রাপ্য না মেলে, তবে এই কঠোর শ্রমের মূল্য কোথায়?