বিকাশের লিংকে ক্লিক করার আগে সাবধান: এক ভুলেই খোয়া যেতে পারে কষ্টের জমানো টাকা
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["default"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

দৈনিক পদ্মা সংবাদ |
নব্বইয়ের দশকের পর প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে একের পর এক আধুনিকতা। একসময় পকেটে টাকা নিয়ে বাইরে বের হলে পকেটমার বা ছিনতাইকারীর ভয় থাকত। সময়ের সঙ্গে সেই ঝুঁকির ধরনও বদলেছে। এখন পকেটে নগদ টাকা না থাকলেও মোবাইল ফোনে থাকা একটি ব্যাংকিং বা মোবাইল আর্থিক সেবা অ্যাকাউন্টে জমা থাকতে পারে মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ।
বর্তমানে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবার পাশাপাশি ব্যাংকিং অ্যাপ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে অনেক সহজ করেছে। ঘরে বসেই টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, কেনাকাটা কিংবা ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন কাজ করা যাচ্ছে মুহূর্তেই।
তবে সুবিধার পাশাপাশি বেড়েছে প্রতারণার ঝুঁকিও। প্রতারকরা নানা কৌশলে ভুয়া লিংক, মেসেজ, ফোনকল বা বিভিন্ন অফারের কথা বলে মানুষের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কখনো ভুয়া ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
হঠাৎ টাকা কাটা বা জমার মেসেজ এলে কী করবেন?
হঠাৎ যদি দেখেন আপনার বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, অথবা আপনার অনুমতি ছাড়া টাকা জমা হয়েছে, তাহলে বিষয়টি হালকাভাবে নেবেন না।
প্রথমে কোনো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না এবং অপরিচিত কাউকে OTP, PIN, পাসওয়ার্ড বা ভেরিফিকেশন কোড দেবেন না।
সন্দেহ হলে সাময়িকভাবে মোবাইলের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিতে পারেন। এরপর নিরাপদ অন্য ডিভাইস বা প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে লেনদেনটি যাচাই করুন।
মনে রাখবেন
অপরিচিত বা সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করবেন না।
কাউকে কখনো PIN, OTP বা পাসওয়ার্ড জানাবেন না।
ফোনে কেউ নিজেকে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পরিচয় দিলেও গোপন তথ্য দেবেন না।
কোনো টাকা কাটা বা লেনদেনের মেসেজ সন্দেহজনক মনে হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।
মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ও ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখুন।
অচেনা অ্যাপ বা APK ফাইল ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।
লেনদেনের পরিমাণ ও হিসাব নিয়মিত যাচাই করুন।
প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু সচেতনতার অভাব সেই প্রযুক্তিকেই প্রতারকদের হাতিয়ার করে তুলতে পারে। তাই ‘লিংকে ক্লিক করার আগে ভাবুন, গোপন তথ্য দেওয়ার আগে যাচাই করুন’ এই সতর্কতাই হতে পারে আপনার কষ্টের জমানো অর্থ নিরাপদ রাখার অন্যতম উপায়।



















