চুয়াডাঙ্গা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুল-আব্বাসের জামিন শুনানি কার্যতালিকায়

Padma Sangbad
১১৯

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১ নম্বরে রাখা হয়েছে।

কার্যতালিকা অনুসারে রবিবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে আবেদনটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। তাদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে সে আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

পরে গত ৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আগামী ৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগে শুনানির দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে ৮ জানুয়ারির আগে তাদের জামিননামা দাখিল না করার নির্দেশ দেন আদালত।

আপিল বিভাগের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালতে এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

প্রসঙ্গত, গত ২১ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান এ আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও অর্ধশত আহত হন। সংঘর্ষের পর পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালায়। ঘটনার পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ। এতে ২ হাজার ৯৭৫ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ৭২৫ জনের। তবে নাম উল্লেখ করা বিএনপির নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস ছিলেন না।

পরে ওই দুই নেতার বাসায় গত ৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে পৃথক অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দুজনকে প্রথমে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে। বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার প্রায় ১১ ঘণ্টা পর মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তাদের পল্টন থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আপডেট : ০৯:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

মির্জা ফখরুল-আব্বাসের জামিন শুনানি কার্যতালিকায়

আপডেট : ০৯:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩
১১৯

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১ নম্বরে রাখা হয়েছে।

কার্যতালিকা অনুসারে রবিবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে আবেদনটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। তাদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে সে আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

পরে গত ৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আগামী ৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগে শুনানির দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে ৮ জানুয়ারির আগে তাদের জামিননামা দাখিল না করার নির্দেশ দেন আদালত।

আপিল বিভাগের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালতে এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।

প্রসঙ্গত, গত ২১ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান এ আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও অর্ধশত আহত হন। সংঘর্ষের পর পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালায়। ঘটনার পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ। এতে ২ হাজার ৯৭৫ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ৭২৫ জনের। তবে নাম উল্লেখ করা বিএনপির নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস ছিলেন না।

পরে ওই দুই নেতার বাসায় গত ৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে পৃথক অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দুজনকে প্রথমে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে। বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার প্রায় ১১ ঘণ্টা পর মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তাদের পল্টন থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।