চুয়াডাঙ্গা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর বোর্ডে এসএসসিতে শতভাগ পাস ৩৬ স্কুল,শতভাগ ফেল ১১টি

Padma Sangbad
৯৮

যশোর সংবাদদাতা ।।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরও কমেছে। পাশাপাশি শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। এবার শতভাগ পাস করেছে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা; গতবছর এই সংখ্যা ছিল ৭৫টি। আর শতভাগ ফেল ১১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতবছর এই সংখ্যা ছিল দুটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম হোসেন আলী।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩৬টির সকল শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে যশোর বোর্ডে কমেছে শতভাগ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গতবছর ৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল।

পাশাপাশি গতবছর শতভাগ ফেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র দু’টি। এবার এই সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে ৪টি করে প্রতিষ্ঠান যশোরের ও সাতক্ষীরার এবং দুটি খুলনার ও একটি বাগেরহাটে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (পরীক্ষার্থী ১ জন) ও চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (৩ জন), শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (২ জন) ও মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (১ জন); সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (৭ জন), আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন) ও শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন); খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) ও খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২ জন)।

গতবছর শতভাগ ফেলের দু’টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল, নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের নাহালখালি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এই স্কুল দু’টি থেকে একজন করে ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছিল।

যশোর বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে শতভাগ পাস করেছিল ৪২২টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা, ২০২৩ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৯৩টি। আর ২০২২ সালে শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১৩টি। আর ২০২৪ শতভাগ অনুত্তীর্ণ কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকলেও ২০২৩ সালে যশোর বোর্ডের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোরের শার্শা উপজেলার সাড়াতলা নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরার তালা উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীই অনুত্তীর্ণ হয়েছিল।

আপডেট : ১০:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

যশোর বোর্ডে এসএসসিতে শতভাগ পাস ৩৬ স্কুল,শতভাগ ফেল ১১টি

আপডেট : ১০:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
৯৮

যশোর সংবাদদাতা ।।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরও কমেছে। পাশাপাশি শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। এবার শতভাগ পাস করেছে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা; গতবছর এই সংখ্যা ছিল ৭৫টি। আর শতভাগ ফেল ১১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতবছর এই সংখ্যা ছিল দুটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম হোসেন আলী।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩৬টির সকল শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে যশোর বোর্ডে কমেছে শতভাগ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গতবছর ৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল।

পাশাপাশি গতবছর শতভাগ ফেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র দু’টি। এবার এই সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে ৪টি করে প্রতিষ্ঠান যশোরের ও সাতক্ষীরার এবং দুটি খুলনার ও একটি বাগেরহাটে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (পরীক্ষার্থী ১ জন) ও চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (৩ জন), শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (২ জন) ও মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (১ জন); সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (৭ জন), আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন) ও শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন); খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) ও খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২ জন)।

গতবছর শতভাগ ফেলের দু’টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল, নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের নাহালখালি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এই স্কুল দু’টি থেকে একজন করে ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছিল।

যশোর বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে শতভাগ পাস করেছিল ৪২২টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা, ২০২৩ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৯৩টি। আর ২০২২ সালে শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১৩টি। আর ২০২৪ শতভাগ অনুত্তীর্ণ কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকলেও ২০২৩ সালে যশোর বোর্ডের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোরের শার্শা উপজেলার সাড়াতলা নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরার তালা উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীই অনুত্তীর্ণ হয়েছিল।