June 22, 2021, 7:06 am

শ্বশুর বাড়িতে শিকলে বাঁধা জামাই

স্বপন কুমার রায়,কুচবিহার ভারত।।
মাথাভাঙা ২নং ব্লকের কুশিয়ারবাড়ি এলাকায় এক জামাইকে দড়ি দিয়ে খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়েছিল শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। জানা গিয়েছে,মাথাভাঙা ২নং ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশিয়ার বাড়ি । গ্রামের রেহেনা পারভিনের সাথে পাঁচ বছর আগে পুনডিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের দখিন কালের কুঠির গ্রামের রাহুল ইসলামের বিবাহ হয়। রাহুল পেশায় ব্যাংক কর্মী ।
রেহেনার পরিবারের অভিযোগ, রেহেনার স্বামী রাহুল ইসলাম বিয়ের পর থেকে তার উপর শারীরিক মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যেত । বাধ্য হয়ে রেহেনা বাবার ঘরে চলে আসে এবং স্বামীর বিরুদ্ধে বধু নির্যাতনের অভিযোগ জানায় থানায়। রেহেনার পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় আর স্বামীর কাছে পাঠাবে না। রাহুল এর পরিবারের অভিযোগ এদিকে রেহেনা দুই দুইবার স্বামী ঘরে বেশ কিছু দিন সংসার করে আবারও বাবার ঘরে ফিরে গিয়ে রাহুল কে চাপ দেয় বিয়ের দান সামগ্রী ফিরিয়ে দিতে।
কিছু দিন পর রেহেনা পুত্র সন্তানের জন্ম দিলে স্বামী রাহুল তা মেনে নিতে অস্বীকার
করে। সাত মাস পরে রাহুল স্ত্রীর কথায় শ্বশুর বাড়ি গেলে শ্বশুরবাড়ির মানুষ তাকে বেঁধে প্রহার করে। রাহুলের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ জানায়। কিন্তু পুলিশ পদক্ষেপ না নেওয়ায় দুই দিন দুই রাত শিকলে বাধা অবস্থায় পড়ে থাকতে হয়। অবশেষে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে দুই দিন দুই রাত কেটে জাওয়ার পরে পুলিশ অসুস্থ রাহুল ইসলাম কে উদ্ধার করে। প্রশ্ন উঠে অভিযোগ পাওয়া সত্যেও পুলিশ কেন দুই দিন সময় নিলেন? যাঁরা বেঁধে রাখলেন তাঁদের কেন পুলিশ আটক করলো না ? থানার সাথে কথা বললে দায়িত্ব এ থাকা পুলিশ অফিসার অনিমেশ সরকার বলেন, যা বলার থানার ওসি দেবাশীষ রায় বলবেন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ:
BengaliEnglish