July 1, 2022, 1:03 pm

সিলেটে ঘরে ঘরে রোগী মিলছেনা ওষুধ!

অনলাইন ডেস্ক।

সিলেটে ঘরে ঘরে রোগী ওষুধ নেই
‘ছোট মেয়েটার জ্বর, বড় ছেলেটার ডায়রিয়া, কোথাওতো ওষুধ পাচ্ছি না। প্রশাসন ও মানুষকে বলেছি একটু ওষুধও দিতে। চিড়া মুড়ি দিতে আসছিল একটা বাহিনী ওদের বলেছিলাম একটু ওষুধ দিয়ে যান, তারা বলেছিল দেবে কিন্তু এখনো দেয়নি’— কথাগুলো সিলেট সদরের বাদাঘাট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আশ্রয় নেয়া আশ্রাফুন্নেসার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোয়াইনঘাটের বশির কমিউনিটি সেন্টার, সদরের সোনাতলা আলিম মাদ্রাসা, কোম্পানিগঞ্জের বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক, তেলিখাল মাদ্রাসা, সিলেট মেরিন একাডেমিতে আশ্রয় নেয়া অনেক পরিবারের লোকজনই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবকদের কাছে ওষুধ চাচ্ছে। তারা বিষয়টি প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষকে জানাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে ঘরে ঘরে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যার তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে সিলেটের পুরো স্বাস্থ্যসেবা। প্লাবিত হয়েছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রায় ৯০ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। পানির নিচে সব অবকাঠামো। বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা। স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তাছাড়া বন্যা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রশাসনে। তবে আজ প্রধানমন্ত্রীর আগমনে অনেক কিছুই বদলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসবে স্থায়ী সমাধান। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তার মাধ্যমে আউলিয়ার শহরে আলো নেমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে সব রাজনীতিবিদ নদী দখল করে, আবাসন তৈরি করে এ পরিস্থিতি তৈরি করেছেন তাদের বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি আসবে।

এদিকে এমন দুঃষহ যন্ত্রণার সময়ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে পাশে নেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) ও বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মেডিকেল টিম।

সরকার ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ পরিস্থিতিতে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। যেভাবে দলমত নির্বিশেষে যার যার অবস্থান থেকে করোনার সময় সহযোগিতা করেছেন, কেউ রাজনৈতিক উদ্যোগে, কেউ সামাজিকভাবে। রোহিঙ্গা ইস্যুর ভূমিকার মতো আরেকবার বাংলাদেশের নাগরিকদের এবং উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান সচেতন মহলের। সিলেটে চিকিৎসাসেবার বিষয়ে স্বাচিপ ও ড্যাবের সভাপতির কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, খুব শিগগিরই কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। সেখানে বিশেষ টিম পাঠাবেন।

এছাড়া আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যেমন শিশু কল্যাণ, যুব কল্যাণ, নারী কল্যাণ, শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণ, রোগীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন কেউই বন্যা ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। তবে নিজ উদ্যোগে ফারাজ করিম চৌধুরী, তাসরিফ খান, ব্যারিস্টার সুমন, হাসান আল আযহারী, মোস্তফা রহিম আযহারী ও মহিউদ্দিন তানভীরসহ অনেকে এগিয়ে আসায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ খুশি।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট নগরীর অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের নিচতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি একটু কমতে শুরু করলেও এখনো শহরের ৫০ শতাংশ এলাকায় পানি রয়েছে। এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভবনে পানি প্রবেশ করায় বন্ধ রাখা হয়েছে নিচতলার সেবা কার্যক্রম। বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর দিয়ে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ), সাধারণ অস্ত্রোপচার, শিশু বিভাগের কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদরসহ ১২টি উপজেলার সব হাসপাতাল, উপজেলা হাসপাতাল, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখনো পানির নিচে রয়েছে। সিলেটের মাত্র তিনটি উপজেলার হাসপাতাল একেবারে ডুবে যায়নি। টিলার ওপরে থাকায় জৈন্তাপুর, বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় সাংবাদিকদের জানান, ‘পুলিশ, প্রশাসন, আর্মফোর্স ও ত্রাণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বন্যার পানি প্রবেশ করায় স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি জানান, পানি নেমে গেলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়বে। এজন্য পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন ইত্যাদি সরবরাহ করা হচ্ছে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ডক্সিসাইক্লিন ওষুধের সংকট রয়েছে বলেও জানান তিনি। সাধারণত জুনে ওষুধ কেনা হয়। এখন ওষুধের স্বল্পতা সব জায়গায়ই রয়েছে। আমরা সরবরাহ ঠিক রাখতে চেষ্টা করছি।

চিকিৎসায় মানবিক বিপর্যয়ে স্বাচিপ-ড্যাব উধাও : বন্যায় সিলেটের ঘরে ঘরে রোগ। চলছে মানবিক বিপর্যয়। ছয় দিন পরও বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত। বিশুদ্ধ পানির সংকট। ঘরে দৃশ্যত জ্বর, টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড, ডায়রিয়াসহ নানা রোগ। অতীতে এমন দৃশ্যপটে রাজনৈতিক দলগুলোর চিকিৎসা সংগঠনকে পাশে দেখা গেলেও এবার সবাই অদৃশ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মেডিকেল টিম এখনো দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায়নি। এ নিয়ে সিলেটের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চলছে। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ আমার সংবাদকে বলেন, নানান রোগে সেখানে যারা অসুস্থ হচ্ছে আমরা তাদের পাশে থাকার জন্য একটা টিম যাওয়ার চিন্তা করছি। তবে এখন পর্যন্ত সেখানে আমাদের কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

একবেলাও খাবার মিলছে না : চলছে বেঁচে থাকার লড়াই! কাতর হয়ে পড়ছেন জৈন্তাপুর উপজেলায় বন্যায় তলিয়ে যাওয়া হাজার হাজার মানুষ। চরম দুর্দিন কাটছে তাদের। কিছু মানুষ রয়েছেন উপজেলার উঁচু স্থানে থাকা স্বজনদের ঘরে, আবার কিছু মানুষ রয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। দিনে এক বেলাও তাদের খাবার জুটছে না। দেখা মিলছে না জনপ্রতিনিধিদেরও। পানিবন্দি মানুষের জন্য অল্প কিছু ত্রাণ ছিল তা বিতরণ করা হয়েছে। তবে সব জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

হরিপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের দুটি ভবনে ও হেমু ভাটপাড়া খাঁন বাড়িতে বসবাস করছে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার। বালিপাড়া, হেমু ভাটপাড়া, মাঝপাড়া, দত্তপাড়াসহ কয়েকটি এলাকা থেকে বাড়িঘর ছেড়ে এসে লোকজন উঠেছেন এই কেন্দ্রে। অনেকটা গাদাগাদি করে বসবাস করছেন তারা। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নূর উদ্দীন জানিয়েছেন, গত ছয়দিন ধরে তারা অবস্থান করছেন। আশপাশের লোকজন রান্না করা খাবার কখনো দিচ্ছেন, কখনো দিচ্ছেন না। দিনে এক বেলাও তারা খাবার পাচ্ছেন না। প্রশাসনের কেউ এসে ত্রাণ দেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। নুরুন নেছা নামের আরও এক বন্যার্ত জানান, তার ঘরে কোমর পানি। সন্তানদের নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। সকালে এসে কয়েকটি পরিবার নতুন করে উঠেছে। বালিপাড়া এলাকার বাসিন্দা কামাল আহমদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার পেয়েছি কিন্তু উপজেলা প্রশাসন কিংবা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কিছু পাইনি। এমনকি একবার খবরও নেয়নি।

১৪০ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে : চলমান বন্যায় সিলেটে মাছচাষে ১৪০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। সুনামগঞ্জের খামারিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় ৩২ হাজার ৮০২ জন খামারি পাঁচ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে কার্পজাতীয় মাছের চাষ করেছিলেন। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌসুমি বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় এবং আসামের ঢাল থেকে নেমে আসা পানিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় তাদের আর্থিক লাভের স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। সিলেটে মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো. মোতালেব হোসেন বলেন, ‘এটি একটি প্রাথমিক প্রাক্কলন। খামারিদের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে। কারণ সুনামগঞ্জের প্রায় সব খামারই পানিতে ভেসে গেছে।’

সিলেটে ভূমিধসের শঙ্কা : সিলেটে চলছে টানা বর্ষণ ও প্রলয়ঙ্করী বন্যা। চারদিকে পানির ভয়াল গ্রাস। মহাবিপর্যয়ে জনপদ। মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নেয়া বানের সাথে ঘটছে টিলা ধস। চলতি মহাদুর্যোগের ভয়াল থাবা এবার পড়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সিলেটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মুরারিচাঁদ কলেজে (এমসি কলেজ)। তবে শুধু এমসি কলেজ নয়, সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় আরও ভূমিধস হওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সতর্ক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। তিনি বলেন, অতিভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব বিরাজমান রয়েছে। আরও ২৪ ঘণ্টা ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা দেয়া হয়েছে।

বিপদ বাড়ছে, আশ্রয় নিয়েছে প্রায় আড়াই লাখ : এদিকে সিলেটে বৃষ্টিপাত কম হলেও উজানের ঢলের কারণে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। তবে আগের চেয়ে নদ-নদীর পানি কমেছে। সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, সিলেটে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় পানি স্থির রয়েছে। কিছু উঁচু এলাকা থেকে পানি নেমেছে। তবে নিম্নাঞ্চল এখনো আগের মতোই প্লাবিত। সেখানে কোমর থেকে গলা সমান পানি। এছাড়া কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট সদর, বিশ্বনাথসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় এখনো বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, জেলায় ৪৯৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৩২ জন আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া ৩১ হাজার গবাদিপশুকে ঠাঁই দেয়া হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ চলছে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় জলযানের সংকটে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

ওসমানী বিমানবন্দর এখনই সচল হচ্ছে না : বন্যায় তলিয়ে যাওয়া ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে নেমেছে পানি। তবে পানির কারণে এখনো রানওয়ের এপ্রোচ লাইট জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এখনো সিলেটের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না। রানওয়েতে পানি ওঠায় গত শুক্রবার ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করে দেয়া হয়। পরিবর্তন করা হয় লন্ডন ফ্লাইটের শিডিউল। এদিকে গতকাল সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রানওয়েতে পানি ঢুকলেও ওসমানী বিমানবন্দরের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এখন রানওয়েতে পানি নেই, তবে এপ্রোচ লাইটগুলো এখনো তলিয়ে আছে। যে কারণে সেফটির জন্য এখনো সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না। এপ্রোচ লাইটগুলো পানিমুক্ত হলে যত দ্রুত সম্ভব ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     আরও সংবাদ :