October 22, 2021, 11:58 am

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও একজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান!

জন্ম-১৭-মার্চ ১৯২০ সাল, মৃত্যু-
ঐতিহাসিক কালরাত্রি ১৫-ই আগস্ট ১৯৭৫ ইং

রাশিদা-য়ে আশরার
(কবি ও লেখক)
বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক পদ্মা সংবাদ।

বঙ্গবন্ধুর শৈশব ও বাল্যকালঃ
জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ই মার্চ (৩রা চৈত্র ১৩২৭ বঙ্গাব্দ) রাত ৮টায়- ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা শেখ লুৎফুর রহমান গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের হিসাব সংরক্ষণকারী ছিলেন এবং তার মা সায়েরা খাতুন গৃহিণী, চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তাঁর নানা শেখ আবদুল মজিদ তার নামকরণ করেন “শেখ মুজিবুর রহমান।” তাঁর ছোটবেলার ডাকনাম ছিল “খোকা”
১৬ / ১৭ বছর বয়সে অর্থাৎ ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের প্রতি সহমর্মী স্বভাবের ও উন্নত মনের অধিকারী ছিলেন। একবার তীব্র শীতে তার প্রিয় একটি গায়ের চাদর একজনকে দান করে দিয়েছিলেন শরীর থেকে খুলে, দুর্ভিক্ষের সময় নিজের গোলা থেকে ধান বিতরণ করতেন। সমিতি গঠন করে অন্যদের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহ করে গরিব ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করতেন, তিনি খুব দুরন্ত ও প্রাণচঞ্চল ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন, শাসনকাল ও মৃত্যুঃ
১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত বিভাগ, পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব তরুণ ছাত্রনেতা ছিলেন, উল্লেখ্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর দেশ প্রেম, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, চিন্তা- চেতনা ও সাহসীকতার দৃঢ় প্রত্যয় এর কারণে পরবর্তীকালে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সমাজতন্ত্রের পক্ষ সমর্থনকারী একজন অধিবক্তা হিসেবে। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশাল আন্দোলন গড়ে তোলেন। জনগণের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন, যাকে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিকল্পনা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। ছয় দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, যার কারণে তিনি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের অন্যতম বিরোধী পক্ষে পরিণত হন।

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকারের সাথে যোগসাজশ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাঁকে প্রধান আসামি করে আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়। যতবার আন্দোলন হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে- তিনি বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন, অন্যায় অত্যাচার সহ্য করেছেন এবং পাকিস্তানের জেলে নির্দিষ্ট সেলে কাটিয়েছেন দফায় দফায় দীর্ঘ প্রায় ১৪- টি বছর, যৌবন ও তারুণ্যদীপ্ত- জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে স্ত্রী-সন্তান ফেলে পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে! আজ বাঙালির রক্তে- অস্থিমজ্জায় এত স্বার্থপরতা, সৎ কথা ও ভালো কাজ, সদুপদেশ পরিত্যাজ্য-সৎ মানুষ অবহেলিত অর্থ পিপাসু মন্দ মানুষ সম্মানিত; ভাবটা এমন কোথায় কি হচ্ছে সমাজ ও দেশের তা জেনে নিজের কি লাভ ; আপনি বাঁচলে বাপের নাম! অথচ প্রতিটি নাগরিকের জন্য দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য অবশ্য পালনীয়।

পরবর্তীতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয় ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে নির্বাচন সংগঠিত হয় তাঁর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করলেও তাঁকে সরকার গঠনের সুযোগ দেয়া হয়নি! পাকিস্তানের নতুন সরকার গঠনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ জুলফিকার আলী ভুট্টোর সমর্থন বা পক্ষ নেন ইয়াহিয়া খান, ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আলোচনা বিফলে যায়। পরবর্তীতে বাংলার সূর্যসন্তান রয়েল- বেঙ্গল- টাইগার রূপে গর্জে ওঠেন স্বরূপে…৭-ই মার্চের রেসকোর্স ময়দানে, বজ্রকন্ঠে অগ্নিঝরা স্বাধিকার আন্দোলন বা যুদ্ধের ডাক দেন- “আমরা যখন রক্ত যখন দিতে শিখেছি- রক্ত আরো দেবো তবুও দেশ কে স্বাধীন করে ছাড়বো…এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম…এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৫-শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অতর্কিত ঢাকা শহরে গণহত্যা চালায়। ফলশ্রুতিতে, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ঐ রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়- ও পরবর্তীতে কনডেম সেলে রাখা হয়, কবর প্রস্তুত- ব্রিগেডিয়ার রহিমুদ্দিন খানের সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও তা কার্যকর করা হয়নি, দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন ২- লক্ষ মা বোন তাদের সম্ভ্রম হারান! অবশেষে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৬-ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর নিকট পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে-আর এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে “বাংলাদেশ” নামক স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ১০-ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই জানুয়ারি তিনি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মতাদর্শগতভাবে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন; যা সম্মিলিতভাবে মুজিববাদ নামে পরিচিত। এগুলোর উপর ভিত্তি করে সংবিধান প্রণয়ন এবং তদানুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার আপ্রাণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। এতদ্বসত্ত্বেও যুদ্ধবিধ্বস্ত- সহায় সম্বলহীন একটি দেশে তীব্র দারিদ্র্যতা, অভাব, বেকারত্ব, সর্বত্র অরাজকতা সহ ব্যাপক দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ে আর এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি কঠিন এক সময় অতিবাহিত করেন। ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনের লক্ষ্যে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা অর্থাৎ বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হন। এর সাত মাস পরে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ১৫-ই আগস্ট অর্ধ শিক্ষিত ও নিরক্ষর জনগোষ্ঠী, লোভী বিশ্বাসঘাতক শ্রেণি ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দিতে থাকে এবং সেই সুযোগে দ্রোহের দাবানলে রক্তে রঞ্জিত হয় বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি সহ রাজপথ… তাঁর স্বপ্নে দেখা সোনার বাংলাদেশ! একদল স্বার্থান্বেষী বিশ্বাসঘাতক সামরিক কর্মকর্তার হাতে দুঃখজনকভাবে তিনি সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

ইতিহাসের পাতা হয় রক্তে রঞ্জিত, সেই থেকে বাঙালির লাল-সবুজ পতাকা হয় চিরতরে অর্ধনমিত- ভিজে জুবুথুবু বাঙালির সম্মান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস; নেমে আসে বাঙালির জীবনে কলঙ্কিত অধ্যায় নষ্ট ইতিহাস!
পৃথিবীর ইতিহাসে কোন সংবিধানে এমন ঘটনার নজির দেখা যায় না যে বিনা অপরাধেই সপরিবারে বনে যায়-
অপরাধী,ছোট্ট একটি শিশুর পায়না রক্ষা-সেদিন রক্ষা পায়নি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী! রক্ষা পায়নি তাঁর দুই ছেলে নববিবাহিত পুত্রবধূ, হাতের মেহেদির রং, লাল বেনারসি পরনে পরতে হলো সাদা কাফন, হতে হল লাশ! সেদিন প্রাণ দিয়েছিল ধানমন্ডির-৩২ নম্বর বাড়িতে অবস্থানরত নিষ্পাপ আরো অনেক মুখ! কি অদ্ভূত, অদম্য বীভৎস হত্যা যজ্ঞে মেতেছিল ঐ নর পিচাশ খুনির দল-ধিক শত ধিক! গোলাবারুদ, কামান- আগ্নেয়াস্ত্রের খেলা ও রক্তস্নানে মত্ত, অল ফিনিশড কি অদ্ভুত রসায়ন- নরপিশাচদের নগ্ন উচ্ছ্বাস, মদ মদিরার ফোয়ারায় আনন্দ উৎসব…গ্রান্ড সেলিব্রেশন- সত্যিই সেলুকাস, বিচিত্র এই পৃথিবী- বিচিত্র এই পৃথিবীর মানুষ!
২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে বিবিসি কর্তৃক পরিচালিত জনমত জরিপে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান- শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে নির্বাচিত হন।
বিশ্লেষণঃ একজন সত্যিকারের মানুষ ও মহানায়কঃ পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন দিবসে তিনি এক বিশাল জনসভায় বক্তৃতা দান করেন- আবেগে আপ্লুত ও কান্না বিজড়িত কন্ঠে অশ্রু ভেজা নয়নে বলেছিলেন “আমি জানতাম তোমরা পারবা… আমার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে” আমার সোনার বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হয়েছে… বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন…
সাত কোটি বাঙালি- বাঙালি হয়েছে কিন্তু মানুষ হয়নি”
এই কথাটির সদুত্তরে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন,
“আমার দেশ আজ স্বাধীন হয়েছে- আমরা স্বাধীন জাতি।” বাংলার মানুষ আজ শুধু বাঙালি নয়- মানুষ হয়েছে! আমি বলেছিলাম আমি যদি তোমাদের হুকুম দেবার নাও পারি তোমরা যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বা- দেশকে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করবা… আমাদের এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম… এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”তোমরা তোমাদের কথা রেখেছো… তিনি যেন বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন; বলছিলেন আমার এত ভাইয়েরা রক্ত ঢেলেছে এত মা বোন তাদের মান-সম্মান খুইয়েছে… তাঁর অন্তরের সেই বোবা কান্না আর চোখের জলের ভাষা- বাংলার মানুষের ভালোবাসা অন্তরে ধারণ করলে, উপলব্ধি করলেই বোঝা যায় সেই ব্যথা-বেদনা বিরহের কান্না কত ভারী ছিল- কত ভারী ও শক্ত ক্ষত তৈরি করেছিল বাংলার এই মাটিতে তাঁর সেই দীর্ঘ নিঃশ্বাস!
কিন্তু এই দীর্ঘ ৫০ বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে কিন্তু মানুষ বাড়েনি… বড়ই পরিতাপের বিষয়- তলাবিহীন ঝুড়িটি পূর্ণ হয়েছে তবে মগজে নয় গোবরে!
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুরে সুর মিলিয়ে আরেকটি কথা বলতে চাই”তোরা যে যাই বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই।”
আত্মোপলব্ধিঃ
পরিশেষে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে একজন আদর্শিক মহান রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতির কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঋণ কখনো শোধ করতে পারবে না সমগ্র বাঙালি জাতি! কিছু কিছু ঋণ আছে এমনই যার মূল্যায়ন করা কোন কিছুতেই সম্ভব নয়, শুধু কৃতজ্ঞতায় আর শ্রদ্ধায়- ভালবাসায় সযত্নে লালন করতে হয় বুকে!
এক নজরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন ও কর্ম কান্ডঃ
স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধুর আত্মজা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা লাল-সবুজ পতাকার ঝান্ডা হাতে, চোর বাটপার, স্বার্থপর, মাথামোটা বাঙালি জাতির নষ্ট বিবেক- মনুষ্যত্বের পাল উড়িয়ে ছোট্ট নায়ে পাড়ি দিয়েছেন বিশ্বমঞ্চে! বঙ্গবন্ধুর চোখে স্বপ্ন সাজিয়ে, জন্মদাতা পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে,অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে বদ্ধ পরিকর…উন্নয়নের ধারায় বৈশ্বিক করোনা মহামারী সামাল দিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, একটি ঘর একটি খামার, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ইন্টারনেট প্রত্যন্ত অঞ্চলে…যদিও এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে দেশ অবস্থান করছে তবুও মাথাপিছু আয় এর সংখ্যা বেড়েছে এবং শিক্ষার হার বেড়েছে, আশার বাণী তিনি শুনিয়েছেন “যেদিন বাংলাদেশকে দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত করতে পারবো- সেদিনই আমার প্রচেষ্টা সার্থক হবে।”

“তোরা যে যাই বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই।”
শেষ কথাঃ
উন্নত দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই ছোট্ট দেশটি তলাবিহীন ঝুড়িতে এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ; দেশ চলছে- দেশ চলবে তার নিজস্ব গতিতে কারণ সময় ও জীবন কখনো থেমে থাকে না- আর থেমে নেই তাঁর পথ চলা! নষ্ট জাতিকে নিয়ে স্বচ্ছভাবে কিছু করা সম্ভব নয় তবুও তিনি স্বমহিমায় উজ্জ্বল; পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অমানবিক এক জীবন তাঁর- এত বড় শোকের বোঝা, গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়েও নিবেদিত প্রাণ দেশের জন্য, তাঁর এই সাহসিক পদচারণা ও অবদান অস্বীকার করতে পারবে না বাঙালী জাতি। আত্ম স্বার্থ দূরে রেখে আসুন, সামগ্রিক উন্নয়নের কথা বলি, দেশের একজন সুনাগরিক হিসাবে- বিশ্বায়নের এই যুগে উন্নয়নের ধারায়, উন্নতির উৎকর্ষে আপন সংস্কৃতি- আপন কীর্তি ও বাঙালিয়ানায় লাল সবুজ পতাকা সগর্বে উড়ুক বিশ্বব্যাপী!
জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু… জয়তু- দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ:
BengaliEnglish