
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্তমান সময়ের বিদ্যুৎ সংকট যেন এক অদ্ভুত বাস্তবতা—হোমিওপ্যাথি ওষুধের মতোই মাপজোখ করে সরবরাহ। সকালে দুই ফোঁটা, দুপুরে দুই ফোঁটা, আর রাতে সামান্য একটু। প্রয়োজনের তুলনায় এই অপ্রতুল বিদ্যুৎ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন বাড়ির বৃদ্ধ, অসুস্থ পিতা-মাতা এবং ছোট শিশুরা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কষ্ট। প্রচণ্ড গরমে পড়াশোনার জন্য যেখানে বিদ্যুৎ অপরিহার্য, সেখানে ঘনঘন লোডশেডিং তাদের স্বাভাবিক প্রস্তুতিকে ব্যাহত করছে। ফ্যান বন্ধ হয়ে যাওয়া, পানির সংকট, এমনকি প্রয়োজনীয় ওষুধ সংরক্ষণে সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এই ক্লান্তিকর সময়ে আমাদের সবার সচেতন হওয়া জরুরি। বিশেষ করে যারা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদ্যুৎ অপচয় করেন—অকারণে এয়ারকন্ডিশনার চালিয়ে রাখা কিংবা বিলাসী ব্যবহারে অভ্যস্ত—তাদের সংযমী হওয়া এখন সময়ের দাবি। সামান্য সচেতনতা ও সাশ্রয়ী ব্যবহারই পারে এই সংকট কিছুটা হলেও লাঘব করতে।
বিদ্যুৎ এখন আর কেবল একটি সুবিধা নয়; এটি হয়ে উঠেছে জীবনের অপরিহার্য অংশ, একপ্রকার জীবনরেখা। তাই এই সংকট মোকাবেলায় প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন—নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, এবং সমগ্র সমাজের কল্যাণে।
সম্পাদক ওপ্রকাশক: মো: আব্দুর রহমান। +88 01954-105871
বার্তা-সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম হোসেন। +8801888105799
E-mail : padmanews1@gmail.com