চুয়াডাঙ্গা ০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৩ বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জে মির্জা ও বাদলের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

Padma Sangbad

মোঃ তাওহীদুল চৌধুরী, নোয়াখালী প্রতিনিধি।
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদেরের ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জা উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার রূপালী চত্ত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। অপর দিকে বেলা ১টায় উপজেলার পেশকার হাট রাস্তার মাথায় সংবাদ সন্মেলন করেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল।
সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার উপজেলার চাপরাশির হাটে তার সমর্থিত লোকজনের উপর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যন মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা ও গুলিবর্ষণ করে বিপুল সংখ্যক লোককে আহত করে। যার মধ্যে সাত জন গুলিবিদ্ধ হয়। তিনি এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ করে নোয়াখালি-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনীর সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অপরদিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে অপরাজনীতির অভিযোগ তুলে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অশালীন বক্তব্য দেওয়ার অপরাধে আবদুল কাদের মির্জাকে দল থেকে স্থানীয়ভাবে বহিস্কার করেন। এসময় মিজানুর রহমান বাদল নোয়াখালী জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন এর কাছে আবদুল কাদের মির্জাকে অবিলম্ভে গ্রেফতার করে উন্নতমানের মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

আপডেট : ০৫:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

কোম্পানীগঞ্জে মির্জা ও বাদলের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৫:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মোঃ তাওহীদুল চৌধুরী, নোয়াখালী প্রতিনিধি।
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদেরের ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জা উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার রূপালী চত্ত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। অপর দিকে বেলা ১টায় উপজেলার পেশকার হাট রাস্তার মাথায় সংবাদ সন্মেলন করেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল।
সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার উপজেলার চাপরাশির হাটে তার সমর্থিত লোকজনের উপর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যন মিজানুর রহমান বাদলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা ও গুলিবর্ষণ করে বিপুল সংখ্যক লোককে আহত করে। যার মধ্যে সাত জন গুলিবিদ্ধ হয়। তিনি এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ করে নোয়াখালি-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনীর সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অপরদিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে অপরাজনীতির অভিযোগ তুলে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অশালীন বক্তব্য দেওয়ার অপরাধে আবদুল কাদের মির্জাকে দল থেকে স্থানীয়ভাবে বহিস্কার করেন। এসময় মিজানুর রহমান বাদল নোয়াখালী জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন এর কাছে আবদুল কাদের মির্জাকে অবিলম্ভে গ্রেফতার করে উন্নতমানের মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।