বেহাল দশার ১ যুগ পর সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

সুচিত্রা রায়,স্টাফ রিপোর্টার:
জনবহুল আশুলিয়ার ডিইপিজেড সংলগ্ন ভাদাইল সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই কিলোমিটার। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির বেহাল দশা ১২ বছর ধরে। নানা ভোগান্তি-অভিযোগ জানিয়েও মিলেনি প্রতিকার।
তবে, আজ বৃহস্পতিবার (২ জন) সেই সড়কের কাজের উদ্বোধন করলেন ধামসোনা ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাভার উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় মেম্বারসহ শত শত মানুষ।
আশুলিয়ার ডিইপিজেড ভাদাইল এলাকাটিতে প্রায় কয়েক লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে নিম্ন আয়ের পোশাক শ্রমিকই বেশি। তাদের সবার প্রশ্ন কেন সড়কটির কাজ হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা সড়কটির বেহাল দশায় ক্ষোভ আর আক্ষেপ জানাতে ভুলে গেছেন। তবে সেই মানুষগুলো এখন ভোগান্তি অবসানের বাস্তবতা দেখে আনন্দ অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর আহমেদ বলেন, এর আগে সড়কটির কাজ করা হয়েছে। তবে আমাদের এলাকার প্রধান সমস্যা হলো নিষ্কাশন ব্যবস্থা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বারবার সড়কটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে আশার কথা হলো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ সড়কটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
ধামসোনা ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সর্বশেষ দুই বছর আগে ইউপির পক্ষ থেকে প্রায় ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কার কাজ করা হয়েছিল। বাজেট স্বল্পতার কারণে এতো বড় সড়কের কাজ করা ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সম্ভব হয়নি। তবে বিভিন্ন সময়ে পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কটিতে সংস্কার কাজ করা হয়। মূলত এই এলাকায় আবাসিক এলাকার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়কে পানি জমে থাকে। বারবার সংস্কার করলেও পানি জমে সড়ক নষ্ট হয়ে যায়। তবে এলজিইডির সহযোগিতায় সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। একই সাথে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনও নির্মাণ করা হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাভার উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়ক থেকে ভাদাইল মোড় পর্যন্ত দৈর্ঘ্য এক হাজার ১২০ মিটার ও প্রস্থ ৪ দশমিক ৫ মিটার আরসিসি সড়ক করা হবে। নির্মাণ ব্যয় ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কাজের শুরু হয়েছে।
আগামী ডিসেম্বর মাসের আগেই নির্মাণ কাজ শেষ করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের পেছনের অংশটি আগেই কাজ করা হয়েছিল। ফলে বাকী অংশটির এখন নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে।



















