চুয়াডাঙ্গা ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ছেলের শেষ ফোন: বাবা, আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের আর্তচিৎকারে বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জড়ো হচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। একজন বাবা বলছেন, ছেলেটি শেষবারের মতো ফোন দিয়ে বলেছিল- বাবা, আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা ফরিদুল হক চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে ছেলে মমিনুল হকের সঙ্গে শেষ কথোপকথনের এই বিবরণ দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফোন দিয়ে ছেলে বলে- ‘বাবা, আমার এখানে কিছুক্ষণ পরপর ব্লাস্ট হচ্ছে। সম্ভবত আমি মারা যাচ্ছি।’ এটুকু বলার পরেই ফোনটি কেটে যায়।

ছেলের এই কথা শুনে বাবা ফরিদুল হক যখন পাগলের মতো করছেন, তখন মিনিট দশেক পর আবার ফোন এলো। এবার ফোনের অপর পাশ থেকে ছেলে মমিনুল বলছেন- ‘বাবা, বিস্ফোরণে আমার একটা পা উড়ে গেছে। আমাকে কলমা পড়িয়ে দাও। আমাকে মাফ করে দাও।’ এটাই ছেলের সঙ্গে ফরিদুল হকের শেষ কথা।

সময় যত গড়াচ্ছে, কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ততই বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ৩৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন।।

আপডেট : ১০:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ছেলের শেষ ফোন: বাবা, আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও

আপডেট : ১০:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

অনলাইন ডেস্ক।।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের আর্তচিৎকারে বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জড়ো হচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। একজন বাবা বলছেন, ছেলেটি শেষবারের মতো ফোন দিয়ে বলেছিল- বাবা, আমার পা উড়ে গেছে, কলমা পড়িয়ে দাও। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা ফরিদুল হক চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে ছেলে মমিনুল হকের সঙ্গে শেষ কথোপকথনের এই বিবরণ দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফোন দিয়ে ছেলে বলে- ‘বাবা, আমার এখানে কিছুক্ষণ পরপর ব্লাস্ট হচ্ছে। সম্ভবত আমি মারা যাচ্ছি।’ এটুকু বলার পরেই ফোনটি কেটে যায়।

ছেলের এই কথা শুনে বাবা ফরিদুল হক যখন পাগলের মতো করছেন, তখন মিনিট দশেক পর আবার ফোন এলো। এবার ফোনের অপর পাশ থেকে ছেলে মমিনুল বলছেন- ‘বাবা, বিস্ফোরণে আমার একটা পা উড়ে গেছে। আমাকে কলমা পড়িয়ে দাও। আমাকে মাফ করে দাও।’ এটাই ছেলের সঙ্গে ফরিদুল হকের শেষ কথা।

সময় যত গড়াচ্ছে, কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ততই বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ৩৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন।।