চুয়াডাঙ্গা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদ নাসিমের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Padma Sangbad

মিজানুর রহমান মিজান,কাজিপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

গত ২০২০ এই দিনে ১৩ জুন মারা যানবর্ষীয়ান রাজনীতিক মোহাম্মদ নাসিম।

প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শুভাকাক্সক্ষীরা সকালে বনানী কবরস্থানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া তার নিজ উপজেলা কাজীপুরে বেলা ১১টায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে দোয়া ও স্মরণসভার আয়োজন করেছে।

বিকালে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ স্মরণসভার আয়োজন করবে।

মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয় তার বাবার জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার কুড়িপাড়া গ্রামে তার জন্ম।

তার বাবা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও মা মোসাম্মাৎ আমেনা মনসুর।

জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

গত শতকের ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ ২১টি বছর সামরিক ও খালেদা জিয়া বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সাহসী যোদ্ধা ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম।

এ কারণে রাজপথে তাকে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়, কারাগারেও যেতে হয়।

১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মোহাম্মদ নাসিম।

ওই সম্মেলনে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের যুব সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৭ সালের সম্মেলনে তিনি দলের প্রচার সম্পাদক মনোনীত হন।

১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ নাসিম। তখন সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপের দায়িত্ব পান তিনি। এরপর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে সারা দেশে সংগঠনকে গড়ে তোলার দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

১৯৯১ সালের সংসদে বিরোধী দলের প্রধান হুইপ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ নাসিম। এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সাবেক সমন্বয়ক ও মুখপাত্রসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও ছয়বারের সংসদ সদস্য ছিলেন প্রয়াত এ নেতা। মোহাম্মদ নাসিম তিন সন্তানের পিতা। তার স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ।

রাজনীতির পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। ঢাকাসহ নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন।

আপডেট : ০৩:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

মোহাম্মদ নাসিমের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট : ০৩:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

মিজানুর রহমান মিজান,কাজিপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

গত ২০২০ এই দিনে ১৩ জুন মারা যানবর্ষীয়ান রাজনীতিক মোহাম্মদ নাসিম।

প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শুভাকাক্সক্ষীরা সকালে বনানী কবরস্থানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া তার নিজ উপজেলা কাজীপুরে বেলা ১১টায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে দোয়া ও স্মরণসভার আয়োজন করেছে।

বিকালে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ স্মরণসভার আয়োজন করবে।

মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয় তার বাবার জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার কুড়িপাড়া গ্রামে তার জন্ম।

তার বাবা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও মা মোসাম্মাৎ আমেনা মনসুর।

জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

গত শতকের ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ ২১টি বছর সামরিক ও খালেদা জিয়া বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সাহসী যোদ্ধা ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম।

এ কারণে রাজপথে তাকে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়, কারাগারেও যেতে হয়।

১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মোহাম্মদ নাসিম।

ওই সম্মেলনে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের যুব সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৭ সালের সম্মেলনে তিনি দলের প্রচার সম্পাদক মনোনীত হন।

১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ নাসিম। তখন সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপের দায়িত্ব পান তিনি। এরপর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে সারা দেশে সংগঠনকে গড়ে তোলার দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

১৯৯১ সালের সংসদে বিরোধী দলের প্রধান হুইপ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ নাসিম। এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সাবেক সমন্বয়ক ও মুখপাত্রসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও ছয়বারের সংসদ সদস্য ছিলেন প্রয়াত এ নেতা। মোহাম্মদ নাসিম তিন সন্তানের পিতা। তার স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ।

রাজনীতির পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। ঢাকাসহ নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন।