চুয়াডাঙ্গা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছত্তিশগড়ে ১০৪ ঘণ্টা পর কূপ থেকে উদ্ধার, ছিল সাপ-ব্যাঙ

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক৷।

১১ বছরের ছেলে ৮০ ফুট গভীর কূপে পড়ে গিয়েছিল গত শুক্রবার। ১৫ ফুট দীর্ঘ সুড়ঙ্গ তৈরি করে ১০৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ছেলেটিকে উদ্ধার করতে দিনরাত এক করে কাজ চালিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ), সেনা এবং পুলিশ। উদ্ধারের প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট এবং ঘণ্টা যেমন রুদ্ধশ্বাস ছিল, কূপের মধ্যে ১০৪ ঘণ্টা সাপ এবং ব্যাঙের সঙ্গে কাটানোও ততটা বিপজ্জনক ছিল।
রাহুল সাহুকে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, কূপের মধ্যে একটি সাপ ছিল, আর ছিল একটি ব্যাঙ। এত নিচে অক্সিজেনের অভাবে যেমন কিশোরের প্রাণ সংশয়ের চরম আশঙ্কা ছিল, তেমনি সাপের কামড়েও মৃত্যু হতে পারত তার।

সরু জায়গায় ঘুটঘুটে অন্ধকার। অক্সিজেনের অভাব। আর সেই স্বল্প পরিসরেই একসঙ্গে মানুষ, সাপ আর ব্যাঙ। সেটাও আবার কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট নয়, ১০৪ ঘণ্টা!

জেলা শাসক জিতেন্দ্র শুক্ল বিষয়টি জানতে পেরেই শিউরে ওঠেন। কিন্তু কূপের ভেতরে যে রাহুলের সঙ্গে আরো দুই ‘সঙ্গী’ রয়েছে, খবরটি প্রকাশ্যে আনেননি জেলা শাসক। এতে রাহুলের পরিবারের সদস্যরা আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, ওই সরু জায়গায় থেকেও তিনটি প্রাণীর কেউই কারো ক্ষতি করেনি। এই ঘটনাকে অনেকেই ‘চমৎকার’ বলে দাবি করেছেন।

প্রায় সাড়ে চার দিন ধরে আটকে থাকার পর কূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১১ বছরের রাহুল সাহুকে। তার উদ্ধারে যেন হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে পুরো ছত্তিশগড়। চার দিন ধরে তার জন্য প্রার্থনা করেছে ছত্তিশগড়ের মানুষ।

রাহুলকে উদ্ধারের পর মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল টুইট করে বলেছেন, ‘আমাদের ছেলে দারুণ সাহসী। ১০৪ ঘণ্টা তার সঙ্গী ছিল একটি সাপ এবং একটি ব্যাঙ। আজ গোটা ছত্তিশগড় খুশি।’
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

আপডেট : ১১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুন ২০২২

ছত্তিশগড়ে ১০৪ ঘণ্টা পর কূপ থেকে উদ্ধার, ছিল সাপ-ব্যাঙ

আপডেট : ১১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুন ২০২২

অনলাইন ডেস্ক৷।

১১ বছরের ছেলে ৮০ ফুট গভীর কূপে পড়ে গিয়েছিল গত শুক্রবার। ১৫ ফুট দীর্ঘ সুড়ঙ্গ তৈরি করে ১০৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ছেলেটিকে উদ্ধার করতে দিনরাত এক করে কাজ চালিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ), সেনা এবং পুলিশ। উদ্ধারের প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট এবং ঘণ্টা যেমন রুদ্ধশ্বাস ছিল, কূপের মধ্যে ১০৪ ঘণ্টা সাপ এবং ব্যাঙের সঙ্গে কাটানোও ততটা বিপজ্জনক ছিল।
রাহুল সাহুকে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, কূপের মধ্যে একটি সাপ ছিল, আর ছিল একটি ব্যাঙ। এত নিচে অক্সিজেনের অভাবে যেমন কিশোরের প্রাণ সংশয়ের চরম আশঙ্কা ছিল, তেমনি সাপের কামড়েও মৃত্যু হতে পারত তার।

সরু জায়গায় ঘুটঘুটে অন্ধকার। অক্সিজেনের অভাব। আর সেই স্বল্প পরিসরেই একসঙ্গে মানুষ, সাপ আর ব্যাঙ। সেটাও আবার কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট নয়, ১০৪ ঘণ্টা!

জেলা শাসক জিতেন্দ্র শুক্ল বিষয়টি জানতে পেরেই শিউরে ওঠেন। কিন্তু কূপের ভেতরে যে রাহুলের সঙ্গে আরো দুই ‘সঙ্গী’ রয়েছে, খবরটি প্রকাশ্যে আনেননি জেলা শাসক। এতে রাহুলের পরিবারের সদস্যরা আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, ওই সরু জায়গায় থেকেও তিনটি প্রাণীর কেউই কারো ক্ষতি করেনি। এই ঘটনাকে অনেকেই ‘চমৎকার’ বলে দাবি করেছেন।

প্রায় সাড়ে চার দিন ধরে আটকে থাকার পর কূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১১ বছরের রাহুল সাহুকে। তার উদ্ধারে যেন হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে পুরো ছত্তিশগড়। চার দিন ধরে তার জন্য প্রার্থনা করেছে ছত্তিশগড়ের মানুষ।

রাহুলকে উদ্ধারের পর মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল টুইট করে বলেছেন, ‘আমাদের ছেলে দারুণ সাহসী। ১০৪ ঘণ্টা তার সঙ্গী ছিল একটি সাপ এবং একটি ব্যাঙ। আজ গোটা ছত্তিশগড় খুশি।’
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস