চুয়াডাঙ্গা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৬১ ধাপ এগিয়ে? মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ

Padma Sangbad

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন। একটি করে গোল করেন সাবিনা খাতুন, সিরাত জাহান স্বপ্না, মনিকা চাকমা ও কৃষ্ণা রাণি সরকার।

বাংলাদেশের এটি যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড় ব্যবধানে জয়। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ২০১৬ সালে আফগানিস্তান ও ২০১৭ সালে মালদ্বীপকে একই ব্যবধানে হারিয়েছিল সাবিনারা। ভুটানের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি ৯-০ গোলে।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে সাবিনা বাহিনী। দ্বিতীয় মিনিটে বামপ্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। তৃতীয় মিনিটে আবার সুযোগ আসে গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যদের সামনে। ভলি থেকে সানজিদার শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে না গেলে উদযাপন করতেই পারতো গ্যালারিতে থাকা লাল সবুজ সমর্থকরা।
অবশেষে নবম মিনিটে জাল খুঁজে পায় বাংলাদেশ। মারিয়া মান্ডার নেয়া কর্নার কিক থেকে ট্যাপ-ইন করে বল জালে জড়ান আঁখি খাতুন। আর তাতে গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ে।
ম্যাচের তখন ২৬ মিনিট। কাউন্টার অ্যাটাক, এরপর ওয়ান টু ওয়ান পাসে বল নিয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ডানপ্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ওঠার সময় ডি বক্সে ঢোকেন সাবিনা। তার কাছে বল আসার পর এক ডিফেন্ডারকে কাটান বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর আড়াআড়ি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে সাবিনার এটি ২৩তম গোল। বলা বাহুল্য তিনিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
দ্বিতীয় গোলের তিন মিনিট অতিবাহিত হওয়ার সময় আবার গোল উৎসবে মাতে বাংলাদেশ। এবার গোল করেন আঁখি খাতুন। হাফটাইমের ঠিক আগে আরও একবার উদযাপনের উপলক্ষ পায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক সাবিনার পাস থেকে এবার গোল করেন সিরাত জাহান স্বপ্না। প্রথমার্ধে সর্বসাকুল্যে মালয়েশিয়া আক্রমণ করতে পেরেছে মাত্র চার-পাঁচবার। তবে কোনো গোলের মুখ দেখেনি তারা।

প্রথমার্ধ বনাম দ্বিতীয়ার্ধ, কোন অর্ধের খেলায় সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়েছেন সাবিনারা? এ প্রশ্নের উত্তরে হয়তো কেউই দ্বিতীয়ার্ধকে তুলনায় আনবেন না। মালয়েশিয়া তো ম্যাড়মেড়ে খেলেছেই, প্রথমার্ধে ভারিক্কি খেলা উপহার দেয়া বাংলাদেশও খুব একটা ভালো খেলতে পারেনি। তবুও যে আর গোল হয়নি, ব্যাপারটা এমন না। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করে বাংলাদেশ, গোলদাতা মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা ঋতু পর্নার বুলেট গতির শট থেকে ৭৪ মিনিটে হেডে দুর্দান্ত এক গোল করেন কৃষ্ণা রাণি সরকার। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আর মালয়েশিয়াকে ফিরতে হয় শূন্য হাতে।

আপডেট : ০১:৫০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২

৬১ ধাপ এগিয়ে? মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ

আপডেট : ০১:৫০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুন ২০২২

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন। একটি করে গোল করেন সাবিনা খাতুন, সিরাত জাহান স্বপ্না, মনিকা চাকমা ও কৃষ্ণা রাণি সরকার।

বাংলাদেশের এটি যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড় ব্যবধানে জয়। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ২০১৬ সালে আফগানিস্তান ও ২০১৭ সালে মালদ্বীপকে একই ব্যবধানে হারিয়েছিল সাবিনারা। ভুটানের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়টি ৯-০ গোলে।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে সাবিনা বাহিনী। দ্বিতীয় মিনিটে বামপ্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। তৃতীয় মিনিটে আবার সুযোগ আসে গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যদের সামনে। ভলি থেকে সানজিদার শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে না গেলে উদযাপন করতেই পারতো গ্যালারিতে থাকা লাল সবুজ সমর্থকরা।
অবশেষে নবম মিনিটে জাল খুঁজে পায় বাংলাদেশ। মারিয়া মান্ডার নেয়া কর্নার কিক থেকে ট্যাপ-ইন করে বল জালে জড়ান আঁখি খাতুন। আর তাতে গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ে।
ম্যাচের তখন ২৬ মিনিট। কাউন্টার অ্যাটাক, এরপর ওয়ান টু ওয়ান পাসে বল নিয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ডানপ্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ওঠার সময় ডি বক্সে ঢোকেন সাবিনা। তার কাছে বল আসার পর এক ডিফেন্ডারকে কাটান বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর আড়াআড়ি শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে সাবিনার এটি ২৩তম গোল। বলা বাহুল্য তিনিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
দ্বিতীয় গোলের তিন মিনিট অতিবাহিত হওয়ার সময় আবার গোল উৎসবে মাতে বাংলাদেশ। এবার গোল করেন আঁখি খাতুন। হাফটাইমের ঠিক আগে আরও একবার উদযাপনের উপলক্ষ পায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক সাবিনার পাস থেকে এবার গোল করেন সিরাত জাহান স্বপ্না। প্রথমার্ধে সর্বসাকুল্যে মালয়েশিয়া আক্রমণ করতে পেরেছে মাত্র চার-পাঁচবার। তবে কোনো গোলের মুখ দেখেনি তারা।

প্রথমার্ধ বনাম দ্বিতীয়ার্ধ, কোন অর্ধের খেলায় সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়েছেন সাবিনারা? এ প্রশ্নের উত্তরে হয়তো কেউই দ্বিতীয়ার্ধকে তুলনায় আনবেন না। মালয়েশিয়া তো ম্যাড়মেড়ে খেলেছেই, প্রথমার্ধে ভারিক্কি খেলা উপহার দেয়া বাংলাদেশও খুব একটা ভালো খেলতে পারেনি। তবুও যে আর গোল হয়নি, ব্যাপারটা এমন না। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করে বাংলাদেশ, গোলদাতা মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা ঋতু পর্নার বুলেট গতির শট থেকে ৭৪ মিনিটে হেডে দুর্দান্ত এক গোল করেন কৃষ্ণা রাণি সরকার। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আর মালয়েশিয়াকে ফিরতে হয় শূন্য হাতে।