চুয়াডাঙ্গা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গলা কেটে ৩ বছরের শিশুকে হত্যা

Padma Sangbad

সুচিত্রা রায়,স্টাফ রিপোর্টার:

সাভারের আশুলিয়ায় শ্বাসরোধ করে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে শাহিনারা আক্তার ইভা (৩) নামের এক কন্যা শিশুকে হত্যা করা হয়।পরে লাশ টয়লেটের ভিতরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হত্যাকারী।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় আশুলিয়া থানার আশুলিয়া ইউনিয়নের ঘোষবাগের কুন্ডলবাগ এলাকার হেলালউদ্দিনের বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন আশুলিয়া থানা পুলিশ।

নিহত ইভা লক্ষ্মিপুর জেলার রায়পুর থানার চরআবাবিল গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। তার বাবা ও মা দু’জনই পোশাক কারখানায় চাকরি করে।

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের বাবা-মা দু’জনই পোশাক শ্রমিক। প্রতিদিনের মত সকালে কাজে গেলে ইভার ভাই সাকিব সহ, আরও কয়েকজন শিশুর সাথে খেলাধূলা করতো। আজ শিশুটির বাবা-মা দুপুরের খাবার খেয়ে কারখানায় যায়। এসময় মিম নামের এক শিশু তাকে খেলার জন্য ডেকে নিয়ে যায়। এর বেশ কিছুক্ষণ পরে মিমসহ আরও দুই শিশু ভাই সাকিবকে গিয়ে ইভার মৃত্যুর খবর দেয়। পরে তারা বাড়ির টয়লেটে গিয়ে ইভার মরদেহ দেখে চিৎকার দেয়। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে খবর দেয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঘটনাস্থলে পৌছে মৃত্যর কারণ ও আলামত সংগ্রহ করেছেন।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মাসুদ মুন্সি বলেন, আমরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিবিআইকে খবর দিয়েছি। তারা তদন্ত করে শিশুটিকে খুনের রহস্য উদঘাটন করলে পড়ে বিস্তারিত জানতে পারা যাবে।

আপডেট : ০৭:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

গলা কেটে ৩ বছরের শিশুকে হত্যা

আপডেট : ০৭:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

সুচিত্রা রায়,স্টাফ রিপোর্টার:

সাভারের আশুলিয়ায় শ্বাসরোধ করে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে শাহিনারা আক্তার ইভা (৩) নামের এক কন্যা শিশুকে হত্যা করা হয়।পরে লাশ টয়লেটের ভিতরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হত্যাকারী।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় আশুলিয়া থানার আশুলিয়া ইউনিয়নের ঘোষবাগের কুন্ডলবাগ এলাকার হেলালউদ্দিনের বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন আশুলিয়া থানা পুলিশ।

নিহত ইভা লক্ষ্মিপুর জেলার রায়পুর থানার চরআবাবিল গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। তার বাবা ও মা দু’জনই পোশাক কারখানায় চাকরি করে।

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের বাবা-মা দু’জনই পোশাক শ্রমিক। প্রতিদিনের মত সকালে কাজে গেলে ইভার ভাই সাকিব সহ, আরও কয়েকজন শিশুর সাথে খেলাধূলা করতো। আজ শিশুটির বাবা-মা দুপুরের খাবার খেয়ে কারখানায় যায়। এসময় মিম নামের এক শিশু তাকে খেলার জন্য ডেকে নিয়ে যায়। এর বেশ কিছুক্ষণ পরে মিমসহ আরও দুই শিশু ভাই সাকিবকে গিয়ে ইভার মৃত্যুর খবর দেয়। পরে তারা বাড়ির টয়লেটে গিয়ে ইভার মরদেহ দেখে চিৎকার দেয়। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে খবর দেয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঘটনাস্থলে পৌছে মৃত্যর কারণ ও আলামত সংগ্রহ করেছেন।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মাসুদ মুন্সি বলেন, আমরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিবিআইকে খবর দিয়েছি। তারা তদন্ত করে শিশুটিকে খুনের রহস্য উদঘাটন করলে পড়ে বিস্তারিত জানতে পারা যাবে।