চুয়াডাঙ্গা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে গ্রামে হিন্দুরা উদযাপন করেন মহররম

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।

আজ ১০ মহররম, পবিত্র আশুরা দিবস। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয়ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র মহররম উদযাপন করে মুসলিম বিশ্ব। কিন্তু ভারতের একটি গ্রামে হিন্দুরাও উদযাপন করেন মহররম। ধর্মীয় বাঁধ ভেঙে গ্রামটির বাসিন্দরা যোগ দেন মুসলিমদের ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানে। তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উদযাপন করছেন মহররম।

ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বজরাহল্লি নামক গ্রামটিতে প্রায় দুই হাজার বাসিন্দার বসবাস। মহররম উদযাপনের জন্য গত শনিবার থেকেই মাঠে নেমে পড়েন গ্রামটির বাসিন্দারা, তারা কাজ করেন মঙ্গলবার পর্যন্ত। গ্রামে একটি জায়গায় তৈরি করা হয় অগ্নিকুণ্ড। সেখানে জড়ো হন শত শত মানুষ, যাদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু ধর্মালম্বী। তারই উদযাপন করেন মহররম। এই মহররম অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন একজন ‘চাঁদ পীর’। ‘পাঞ্জা’ বা ‘হাস্তা’ নামের অনুষ্ঠান পালন করেন হিন্দুরাই। সেসব অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমান হাজারো মানুষ।

ভারতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই গ্রাম মুসলিম-শূন্য ছিল না। এককালে এখানে মিলেমিশে বাস করতেন হিন্দু-মুসলিম উভয় ধর্মের মানুষই। গ্রামটি মুসলিম-শূন্য হয়ে যাওয়ার পর থেমে থাকেনি মহররম উদযাপন অনুষ্ঠান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছেন স্থানীয়রা। মহররম পালন যেন তাদের রীতিতে রূপ নিয়েছে।

উল্লেখ্য, হিজরি ৬১ সনের এই দিনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা কারবালার ময়দানে ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ জন্য শোকাবহ এবং ঘটনাবহুল এই দিন মুসলমানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ, দান-খয়রাত, জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।
সূত্র: দ্য হিন্দু।।

আপডেট : ১২:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২

যে গ্রামে হিন্দুরা উদযাপন করেন মহররম

আপডেট : ১২:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২

অনলাইন ডেস্ক।।

আজ ১০ মহররম, পবিত্র আশুরা দিবস। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয়ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র মহররম উদযাপন করে মুসলিম বিশ্ব। কিন্তু ভারতের একটি গ্রামে হিন্দুরাও উদযাপন করেন মহররম। ধর্মীয় বাঁধ ভেঙে গ্রামটির বাসিন্দরা যোগ দেন মুসলিমদের ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানে। তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উদযাপন করছেন মহররম।

ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বজরাহল্লি নামক গ্রামটিতে প্রায় দুই হাজার বাসিন্দার বসবাস। মহররম উদযাপনের জন্য গত শনিবার থেকেই মাঠে নেমে পড়েন গ্রামটির বাসিন্দারা, তারা কাজ করেন মঙ্গলবার পর্যন্ত। গ্রামে একটি জায়গায় তৈরি করা হয় অগ্নিকুণ্ড। সেখানে জড়ো হন শত শত মানুষ, যাদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু ধর্মালম্বী। তারই উদযাপন করেন মহররম। এই মহররম অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন একজন ‘চাঁদ পীর’। ‘পাঞ্জা’ বা ‘হাস্তা’ নামের অনুষ্ঠান পালন করেন হিন্দুরাই। সেসব অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমান হাজারো মানুষ।

ভারতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই গ্রাম মুসলিম-শূন্য ছিল না। এককালে এখানে মিলেমিশে বাস করতেন হিন্দু-মুসলিম উভয় ধর্মের মানুষই। গ্রামটি মুসলিম-শূন্য হয়ে যাওয়ার পর থেমে থাকেনি মহররম উদযাপন অনুষ্ঠান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছেন স্থানীয়রা। মহররম পালন যেন তাদের রীতিতে রূপ নিয়েছে।

উল্লেখ্য, হিজরি ৬১ সনের এই দিনে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা কারবালার ময়দানে ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ জন্য শোকাবহ এবং ঘটনাবহুল এই দিন মুসলমানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ, দান-খয়রাত, জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।
সূত্র: দ্য হিন্দু।।