চুয়াডাঙ্গা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ৫০

Padma Sangbad

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে এ সংঘর্ষ ঘটে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম সাংবাদিক দের কে জানান , ‘দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোবিন্দগঞ্জ থানা বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা পার্টি অফিসে যায়। এ সময় উপজেলার মহিমাগঞ্জ রোডে ছাত্রলীগ-যুবলীগ আমাদের নেতা-কর্মীদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। আমরা বুঝতে পারি তারা কোনো পরিকল্পনা করছে। এ জন্য আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে নেতা-কর্মীদের মিছিল না করে যেতে বলি। এরমধ্যে কিছু-নেতা কর্মী মিছিলের জন্য প্রস্তুত হতেই হঠাৎ করে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশের রাবার বুলেটে ৭-৮ জন আহত হয়। লাঠিচার্জে আরও ৪০-৪৫ জনের মতো আহত হয়।’

অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি নিজে আহত হই। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতা-কর্মীরা রাবার বুলেটবিদ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭-৮ জনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।’

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশ শান্তিপূর্ণই ছিল। সমাবেশ শেষের দিকে হঠাৎ করে মিছিল থেকে পুলিশের উপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে করে আমাদের ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।’

আপডেট : ০১:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ৫০

আপডেট : ০১:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে এ সংঘর্ষ ঘটে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম সাংবাদিক দের কে জানান , ‘দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোবিন্দগঞ্জ থানা বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা পার্টি অফিসে যায়। এ সময় উপজেলার মহিমাগঞ্জ রোডে ছাত্রলীগ-যুবলীগ আমাদের নেতা-কর্মীদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। আমরা বুঝতে পারি তারা কোনো পরিকল্পনা করছে। এ জন্য আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে নেতা-কর্মীদের মিছিল না করে যেতে বলি। এরমধ্যে কিছু-নেতা কর্মী মিছিলের জন্য প্রস্তুত হতেই হঠাৎ করে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশের রাবার বুলেটে ৭-৮ জন আহত হয়। লাঠিচার্জে আরও ৪০-৪৫ জনের মতো আহত হয়।’

অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি নিজে আহত হই। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতা-কর্মীরা রাবার বুলেটবিদ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭-৮ জনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।’

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশ শান্তিপূর্ণই ছিল। সমাবেশ শেষের দিকে হঠাৎ করে মিছিল থেকে পুলিশের উপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে করে আমাদের ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।’