চুয়াডাঙ্গা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও মুছে ফেলা যায়নি: শিক্ষামন্ত্রী

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হলেও মুছে ফেলা যায়নি। বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলা নয়, আজ সারা বিশ্বময়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার রাতে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সাড়ে তিন বছরের মাথায় হত্যা করা হলো। কেন হত্যা করা হলো? কেউ বলেন, কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্য এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, শুধুমাত্র কি বিপথগামী সেনা সদস্য? যারা বলেন, হয় তারা না বুঝে বলেন, তা না হলে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বলেন। আসল কুশীলবদের আড়াল করার জন্য বলেন। তিনি বলেন, ‘তখন বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছিলেন বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক, আরেকদিকে শোষিত। বঙ্গবন্ধু শোষিতের গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলেন। তিনি শোষিতের গণতন্ত্রের কথা বলেছিলেন। তিনি সেই সময়ের সাম্রাজ্যবাদীদের শক্তির সমস্ত প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দিয়ে বাঙালিকে দিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। সেটি সাম্রাজ্যবাদীরা মেনে নিতে পারেননি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যদি তার শোষিতের গণতন্ত্র সাফল্যের জায়গায় পৌঁছে যায়, তাহলে সাম্রাজ্যবাদীদের নাক কাঁটা যায়, তাদের পরাজয় হয়, সেটি তারা মেনে নিতে পারেনি। তখন যেভাবে বিভিন্ন দেশে জাতীয়তাবাদী নেতাদের হত্যা বা ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল, নেতাদের হত্যা করে সামরিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এবং সেই সব দেশের সম্পদগুলো প্রায় চিরদিনের মতোই বহুজাতিক কোম্পানির হাতে চলে গিয়েছিল। তা থেকেই বোঝা যায় কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, প্রথমত তারা চেয়েছিল প্রতিশোধ নিতে। দুই, বাংলাদেশের ওপর তাদের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে। এখানে সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্র, পাকিস্তানের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র আর তাদের দোসর বাঙালিরা এই ষড়যন্ত্রের লিপ্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন কাজী আনিস আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক দীল আফরোজা বেগম, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. গোলাম শাহি আলম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

আপডেট : ০৬:২৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও মুছে ফেলা যায়নি: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ০৬:২৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

অনলাইন ডেস্ক।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হলেও মুছে ফেলা যায়নি। বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলা নয়, আজ সারা বিশ্বময়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার রাতে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সাড়ে তিন বছরের মাথায় হত্যা করা হলো। কেন হত্যা করা হলো? কেউ বলেন, কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্য এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, শুধুমাত্র কি বিপথগামী সেনা সদস্য? যারা বলেন, হয় তারা না বুঝে বলেন, তা না হলে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বলেন। আসল কুশীলবদের আড়াল করার জন্য বলেন। তিনি বলেন, ‘তখন বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছিলেন বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক, আরেকদিকে শোষিত। বঙ্গবন্ধু শোষিতের গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলেন। তিনি শোষিতের গণতন্ত্রের কথা বলেছিলেন। তিনি সেই সময়ের সাম্রাজ্যবাদীদের শক্তির সমস্ত প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দিয়ে বাঙালিকে দিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন। সেটি সাম্রাজ্যবাদীরা মেনে নিতে পারেননি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যদি তার শোষিতের গণতন্ত্র সাফল্যের জায়গায় পৌঁছে যায়, তাহলে সাম্রাজ্যবাদীদের নাক কাঁটা যায়, তাদের পরাজয় হয়, সেটি তারা মেনে নিতে পারেনি। তখন যেভাবে বিভিন্ন দেশে জাতীয়তাবাদী নেতাদের হত্যা বা ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল, নেতাদের হত্যা করে সামরিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এবং সেই সব দেশের সম্পদগুলো প্রায় চিরদিনের মতোই বহুজাতিক কোম্পানির হাতে চলে গিয়েছিল। তা থেকেই বোঝা যায় কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, প্রথমত তারা চেয়েছিল প্রতিশোধ নিতে। দুই, বাংলাদেশের ওপর তাদের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে। এখানে সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্র, পাকিস্তানের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র আর তাদের দোসর বাঙালিরা এই ষড়যন্ত্রের লিপ্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন কাজী আনিস আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক দীল আফরোজা বেগম, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. গোলাম শাহি আলম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।