চুয়াডাঙ্গা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহেশপুর থেকে ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার ৪০টি সোনার বারসহ একজন আটক

Padma Sangbad

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
দেশের দক্ষিনপশ্চিমের জেলা ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণের বার পাচার অব্যাহত রয়েছে। জেলার মহেশপুর উপজেলার জুলুজী সীমান্তের যাদবপুর গ্রাম থেকে চল্লিশটি স্বর্ণের বারসহ শওকত আলী (৫০) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই উপজেলার মাটিলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় এই সোনার বারগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সোনার বর্তমান বাজার মুল্য ৩ কোটি ৩১ লাখ ৯২ হাজার ২১৮ টাকা। ঝিনাইদহের মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিন আজাদ জানান, গোপন তথ্যে ভিত্তিতে জুলুজী সীমান্তের যাদবপুর গ্রামের রাস্তা থেকে শওকত আলীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে চল্লিশটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। যার ওজন ৪ কেজি ৬৬৮ গ্রাম। বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দিয়ে তাকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে ঝিনাইদহ ও চয়াডাঙ্গার সীমান্ত দিয়ে সোনার বার ও রুপা পাচারের একাধিক ঘটনা বিজিবি প্রতিরোধ করেছে। কিন্তু এই সোনার প্রকৃত মালিক বরাবর থেকে যায় পর্দার আড়ালে। র‌্যাব, পুলিশ বা বিজিবি কেবল বহনকারীকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। অনেক সময় মালিকবিহীন সানা বা রুপা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সোনার বার ভারতে পাচার হয়ে গহনা তৈরী হয়ে আবারো বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে।

আপডেট : ১০:১৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

মহেশপুর থেকে ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার ৪০টি সোনার বারসহ একজন আটক

আপডেট : ১০:১৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
দেশের দক্ষিনপশ্চিমের জেলা ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণের বার পাচার অব্যাহত রয়েছে। জেলার মহেশপুর উপজেলার জুলুজী সীমান্তের যাদবপুর গ্রাম থেকে চল্লিশটি স্বর্ণের বারসহ শওকত আলী (৫০) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই উপজেলার মাটিলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় এই সোনার বারগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সোনার বর্তমান বাজার মুল্য ৩ কোটি ৩১ লাখ ৯২ হাজার ২১৮ টাকা। ঝিনাইদহের মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহিন আজাদ জানান, গোপন তথ্যে ভিত্তিতে জুলুজী সীমান্তের যাদবপুর গ্রামের রাস্তা থেকে শওকত আলীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে চল্লিশটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। যার ওজন ৪ কেজি ৬৬৮ গ্রাম। বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দিয়ে তাকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে ঝিনাইদহ ও চয়াডাঙ্গার সীমান্ত দিয়ে সোনার বার ও রুপা পাচারের একাধিক ঘটনা বিজিবি প্রতিরোধ করেছে। কিন্তু এই সোনার প্রকৃত মালিক বরাবর থেকে যায় পর্দার আড়ালে। র‌্যাব, পুলিশ বা বিজিবি কেবল বহনকারীকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। অনেক সময় মালিকবিহীন সানা বা রুপা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সোনার বার ভারতে পাচার হয়ে গহনা তৈরী হয়ে আবারো বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে।