চুয়াডাঙ্গা ১১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: বিএনপি মহাসচিব ফখরুল

Padma Sangbad

বিএনপি স্পষ্টত দশম সংসদ নির্বাচনের আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হলে আগামী নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

এই দাবি আদায়ে বিএনপির আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন চলবে এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত।’

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া চালা ময়দানে প্রয়াত বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন ফখরুল।

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এই অবস্থান ছিল দলটির। সেই ভোট ঠেকাতে সহিংস আন্দোলনও করে তারা। তবে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই ভোটে আসে তারা। এবার আবার পুরনো দাবিতে ফিরে গেছে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে যদি দলীয়, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সরকার থাকে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেই কারণে আমরা বলছি, নির্বাচন যদি হতে হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হতে হবে। অন্যথায় কোনো নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না, নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

বিএনপির এই বক্তব্যের বিপরীতে আওয়ামী লীগ যা বলছে, সেটা হলো এই সরকার ব্যবস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। ফলে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে কথা উঠেছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর উচ্চ আদালতে একটি রিটের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। এরপর সরকার নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উচ্চ আদালতে মীমাংসা হয়ে যাওয়ায় এখন আর কিছু করা সম্ভব নয়।

ফখরুল অবশ্য ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এসব বক্তব্যকে অসার বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে জীবনেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তত্ত্বাবধায়কের অধীনে তারা ২০টি আসনও পাবে না। তাই তারা বলছে, তত্ত্বাবধক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। আমাদের কথাও পরিস্কার তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে হবে, তা না হলে কোন নির্বাচন হবে না।’

আপডেট : ১১:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না: বিএনপি মহাসচিব ফখরুল

আপডেট : ১১:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিএনপি স্পষ্টত দশম সংসদ নির্বাচনের আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হলে আগামী নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

এই দাবি আদায়ে বিএনপির আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন চলবে এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত।’

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া চালা ময়দানে প্রয়াত বিএনপি নেতা আ স ম হান্নান শাহর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন ফখরুল।

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এই অবস্থান ছিল দলটির। সেই ভোট ঠেকাতে সহিংস আন্দোলনও করে তারা। তবে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই ভোটে আসে তারা। এবার আবার পুরনো দাবিতে ফিরে গেছে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে যদি দলীয়, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সরকার থাকে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেই কারণে আমরা বলছি, নির্বাচন যদি হতে হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হতে হবে। অন্যথায় কোনো নির্বাচন এই বাংলাদেশের মাটিতে হবে না, নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’

বিএনপির এই বক্তব্যের বিপরীতে আওয়ামী লীগ যা বলছে, সেটা হলো এই সরকার ব্যবস্থা ফেরানো সম্ভব নয়। ফলে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে কথা উঠেছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর উচ্চ আদালতে একটি রিটের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। এরপর সরকার নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উচ্চ আদালতে মীমাংসা হয়ে যাওয়ায় এখন আর কিছু করা সম্ভব নয়।

ফখরুল অবশ্য ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এসব বক্তব্যকে অসার বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে জীবনেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তত্ত্বাবধায়কের অধীনে তারা ২০টি আসনও পাবে না। তাই তারা বলছে, তত্ত্বাবধক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। আমাদের কথাও পরিস্কার তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে হবে, তা না হলে কোন নির্বাচন হবে না।’