বাংলাদেশ ছেড়েছেন ৬ হাজার ৭০০ ভারতীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় বাংলাদেশ ছেড়ে নিজ দেশে গেছেন ৬ হাজার ৭০০-এর বেশি ভারতীয় নাগরিক।
আজ বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত নিরাপদে নিজ দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ৭০০-এর বেশি ভারতীয়। অন্যদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন চালু রেখেছে ভারতীয় হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশন।
বাংলাদেশের চলমান ঘটনা দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশের ঘটনাবলির দিকে ভারত তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে। খুব শিগগির বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করে দেশটি।
ভারতকোটা সংস্কার আন্দোলনআন্দোলনসহিংসতা
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
সম্পর্কিত
Image not found
সহিংসতার স্বচ্ছ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার: জাতিসংঘ
Image not found
আমিরাতে ৫৭ বাংলাদেশির কারাদণ্ডে এইচআরডব্লিউ’র নিন্দা
Image not found
যেভাবে মার্কিন নারীর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল ভারতীয় যুবক
Image not found
দিনের পর দিন সহকর্মীদের কটাক্ষ, নারী ব্যাংকারের আত্মহত্যা
সহিংসতার স্বচ্ছ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার: জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ জুলাই ২০২৪, ০৮:৫৮ পিএম
Image not found
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংসতার সব ঘটনার স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে তদন্ত করা উচিত বলে মনে করেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। এ ছাড়া এ ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার বলেও মনে করেন তিনি। গতকাল গতকাল বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের কার্যালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডুজারিক।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তুলে বলেন, গত সোমবার বাংলাদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ব্যবসায়ী নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নামে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছিল। এ বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের কোনো পর্যবেক্ষণ আছে কি না।
জবাবে ডুজারিক বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশে যা ঘটছে, আমরা যা দেখেছি—গণগ্রেপ্তার, হত্যাকাণ্ড—সেসব ব্যাপারে আমরা আমাদের উদ্বেগ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছি।’
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, সহিংসতার সব ঘটনা একটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতিতে তদন্ত করা উচিত। দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার, তবে সংলাপের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে। এতে শিক্ষার্থীরা নিহত হয়েছেন। এ বিষয়টি কি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকায় প্রভাব ফেলবে?
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলি করাসহ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে তারা যে উদ্বিগ্ন তা বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন। বিষয়টি সরাসরি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।
শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশিদের নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘে কর্মী নিযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যক্তির মানবাধিকার যাচাইয়ের প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সদস্যরাষ্ট্রের। তারা এই বিষয়টি নিশ্চিত করবে, মোতায়েনের জন্য মনোনীত কর্মী অতীতে আন্তর্জাতিক মানবিক বা মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত নন, কিংবা জাতিসংঘের কোনো অভিযান থেকে ফেরত পাঠানো হয়নি। জাতিসংঘও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে।
























