চুয়াডাঙ্গা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণায় নতুন নিয়মাবলী

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কঠোর বিধি আরোপের পরিকল্পনা করেছে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা চালাতে হলে এবার প্রার্থীদের নতুন সাতটি নিয়ম মেনে চলতে হবে।

ইসি জানিয়েছে, সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি ও প্রচারের ধরন বদলেছে। বর্তমান নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ায় এসব মাধ্যমকে শৃঙ্খলার আওতায় আনা এবং অপপ্রচার বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। তাই এবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে আচরণবিধিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার স্পষ্ট নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে যে সাতটি নির্দেশনা মানতে হবে, তা হলো—

১. প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা রাজনৈতিক দল যে সকল প্ল্যাটফর্মে প্রচার চালাবেন, তার নাম, আইডি, ইমেইল ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।

২. নির্বাচনী প্রচারে কোনোভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে না।

৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, কারও ছবি বিকৃতি বা ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা নিষিদ্ধ।

৪. প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক, উসকানিমূলক বা ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।

৫. ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতি ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

৬. নির্বাচন সম্পর্কিত কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা বাধ্যতামূলক।

৭. কোনো দল, প্রার্থী বা সমর্থক কারও সুনাম ক্ষুণ্ণ বা চরিত্রহননের উদ্দেশ্যে কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা বা শেয়ার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারও নিষিদ্ধ।

নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার উদ্দেশ্য হলো প্রচারণাকে শালীন, সত্যনিষ্ঠ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা। ভুল তথ্য ও ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা বন্ধ করতেই এই কঠোর বিধানগুলো প্রবর্তন করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর তফসিল ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে।

আপডেট : ০১:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণায় নতুন নিয়মাবলী

আপডেট : ০১:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক।।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কঠোর বিধি আরোপের পরিকল্পনা করেছে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা চালাতে হলে এবার প্রার্থীদের নতুন সাতটি নিয়ম মেনে চলতে হবে।

ইসি জানিয়েছে, সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি ও প্রচারের ধরন বদলেছে। বর্তমান নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ায় এসব মাধ্যমকে শৃঙ্খলার আওতায় আনা এবং অপপ্রচার বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। তাই এবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে আচরণবিধিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার স্পষ্ট নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে যে সাতটি নির্দেশনা মানতে হবে, তা হলো—

১. প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা রাজনৈতিক দল যে সকল প্ল্যাটফর্মে প্রচার চালাবেন, তার নাম, আইডি, ইমেইল ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।

২. নির্বাচনী প্রচারে কোনোভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে না।

৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, কারও ছবি বিকৃতি বা ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা নিষিদ্ধ।

৪. প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক, উসকানিমূলক বা ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।

৫. ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতি ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

৬. নির্বাচন সম্পর্কিত কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা বাধ্যতামূলক।

৭. কোনো দল, প্রার্থী বা সমর্থক কারও সুনাম ক্ষুণ্ণ বা চরিত্রহননের উদ্দেশ্যে কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা বা শেয়ার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারও নিষিদ্ধ।

নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার উদ্দেশ্য হলো প্রচারণাকে শালীন, সত্যনিষ্ঠ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা। ভুল তথ্য ও ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা বন্ধ করতেই এই কঠোর বিধানগুলো প্রবর্তন করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর তফসিল ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে।