চুয়াডাঙ্গা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরে হত্যা মামলার আসামির আত্মহত্যা

Padma Sangbad

যশোর সংবাদদাতা।।
যশোরের মণিরামপুরের পল্লীতে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে হত্যা মামলার এক আসামি হারপিক পানে আত্মহত্যা করেছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যা মামলা রয়েছে। শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে।

তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরামপুর থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকরের পরকীয়া সম্পর্কের কথা এলাকার লোকজন জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে ঘরে তুলতে চান। তখন তৃপ্তি শংকরের কাছে তার ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শংকর। গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শংকরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

এরপর শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আমরা সকালে তাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করি। এখানে অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান।

আপডেট : ০১:৪৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

মণিরামপুরে হত্যা মামলার আসামির আত্মহত্যা

আপডেট : ০১:৪৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

যশোর সংবাদদাতা।।
যশোরের মণিরামপুরের পল্লীতে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে হত্যা মামলার এক আসামি হারপিক পানে আত্মহত্যা করেছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যা মামলা রয়েছে। শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে।

তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরামপুর থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকরের পরকীয়া সম্পর্কের কথা এলাকার লোকজন জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে ঘরে তুলতে চান। তখন তৃপ্তি শংকরের কাছে তার ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শংকর। গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শংকরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

এরপর শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আমরা সকালে তাকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করি। এখানে অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান।