চুয়াডাঙ্গা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিমদের নায়ক মামদানি

Padma Sangbad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার আগে ও পরের মুসলিমদের জীবন এক ছিল না। হামলার পর বাড়তি বোঝা বইতে হয়েছে তাদের। উদ্বেগ-আতঙ্ক… সামান্য অজুহাতে মুসলিমদের গ্রেপ্তার ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু ২৪ বছর পর নিউইয়র্কের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এবার নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে শক্ত প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন জোহরান মামদানি। এই পটপরিবর্তনের পেছনে কী কারণ রয়েছে?

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ প্রাণবন্ত হাসিখুশি মামদানির রাজনৈতিক দক্ষতা তাকে আজ এখানে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু তার আগেও নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের বড় একটি অবদান রয়েছে। ‘ইসলাম ভীতির’ ক্রমবর্ধমান জোয়ার মোকাবিলার জন্য তরুণ মুসলিমদের রাজনৈতিক বিকাশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বছরের পর বছর ব্যয় করতে হয়েছে। নিউইয়র্কে আনুমানিক ১০ লাখ মুসলিম বাস করেন, যা প্রায় ইহুদিদের সমান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় সাড়ে তিন লাখ নিবন্ধিত ভোটার রয়েছে। মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব অব নিউইয়র্কের সভাপতি সামান ওয়াকাদ বলেছেন, মানুষ মামদানিকে একজন অনন্য প্রার্থী হিসেবে দেখছে এবং তিনি তাই। কিন্তু এই নির্বাচনে তার ভিত্তি হলো ৯/১১-পরবর্তী যুগে দুই দশকের বেশি সময় ধরে মুসলিমদের ধারাবাহিক কাজ।

২০১৩ সালে মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব অব নিউইয়র্ক গঠিত হয়েছিল। মামদানির উত্থান শুরু হয়েছিল প্রকৃতপক্ষে এই সংগঠনটির হাত ধরেই। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যেই ক্লাবের বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন মামদানি। ২০২০ সালে তিনি রাজ্য পরিষদে সদস্য হিসেবে জয় লাভ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি ট্যাক্সি ওয়ার্কার্স অ্যালায়েন্স কর্তৃক আয়োজিত ১৫ দিনের অনশনে যোগ দেন এবং ট্যাক্সি ড্রাইভারদের ঋণমুক্তির জন্য আন্দোলন করেন।

আপডেট : ০৪:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

মুসলিমদের নায়ক মামদানি

আপডেট : ০৪:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার আগে ও পরের মুসলিমদের জীবন এক ছিল না। হামলার পর বাড়তি বোঝা বইতে হয়েছে তাদের। উদ্বেগ-আতঙ্ক… সামান্য অজুহাতে মুসলিমদের গ্রেপ্তার ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু ২৪ বছর পর নিউইয়র্কের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এবার নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে শক্ত প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন জোহরান মামদানি। এই পটপরিবর্তনের পেছনে কী কারণ রয়েছে?

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ প্রাণবন্ত হাসিখুশি মামদানির রাজনৈতিক দক্ষতা তাকে আজ এখানে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু তার আগেও নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের বড় একটি অবদান রয়েছে। ‘ইসলাম ভীতির’ ক্রমবর্ধমান জোয়ার মোকাবিলার জন্য তরুণ মুসলিমদের রাজনৈতিক বিকাশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বছরের পর বছর ব্যয় করতে হয়েছে। নিউইয়র্কে আনুমানিক ১০ লাখ মুসলিম বাস করেন, যা প্রায় ইহুদিদের সমান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় সাড়ে তিন লাখ নিবন্ধিত ভোটার রয়েছে। মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব অব নিউইয়র্কের সভাপতি সামান ওয়াকাদ বলেছেন, মানুষ মামদানিকে একজন অনন্য প্রার্থী হিসেবে দেখছে এবং তিনি তাই। কিন্তু এই নির্বাচনে তার ভিত্তি হলো ৯/১১-পরবর্তী যুগে দুই দশকের বেশি সময় ধরে মুসলিমদের ধারাবাহিক কাজ।

২০১৩ সালে মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব অব নিউইয়র্ক গঠিত হয়েছিল। মামদানির উত্থান শুরু হয়েছিল প্রকৃতপক্ষে এই সংগঠনটির হাত ধরেই। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যেই ক্লাবের বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন মামদানি। ২০২০ সালে তিনি রাজ্য পরিষদে সদস্য হিসেবে জয় লাভ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি ট্যাক্সি ওয়ার্কার্স অ্যালায়েন্স কর্তৃক আয়োজিত ১৫ দিনের অনশনে যোগ দেন এবং ট্যাক্সি ড্রাইভারদের ঋণমুক্তির জন্য আন্দোলন করেন।