চুয়াডাঙ্গা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ইলিশ মাছ কিনে রাখতে বলেছিলেন আবুল কালাম

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।
রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের একটি পিলার থেকে ভারী ধাতব যন্ত্রাংশ (বিয়ারিং প্যাড) পড়ে প্রাণ হারালেন তরুণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম (৩৫)। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কালাম শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ইশ্বরকাঠি গ্রামের জলিল চোকদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের জলকাঠি এলাকায় বসবাস করতেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই মেট্রোরেলের ওপর থেকে একটি ভারী ধাতব যন্ত্রাংশ নিচে পড়ে যায় এবং তা সরাসরি আবুল কালামের মাথায় আঘাত করে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা জানান, আবুল কালাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় একটি ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনা করতেন। ব্যবসায়িক কাজে তিনি নিয়মিত ফার্মগেট এলাকায় যাতায়াত করতেন। তার ৫ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে সুরাইয়া আক্তার—এখন পিতৃহারা।

চাচাতো ভাই আব্দুল গণি চোকদার বলেন, ‘আবুল কালাম খুব ভদ্র ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। নিজের চেষ্টায় ব্যবসা দাঁড় করিয়েছিলেন। সরকারের অবহেলার কারণেই আজ আমাদের ভাই মারা গেল। এখন তার পরিবার দেখবে কে?’

নিহতের মেঝ ভাবি আছমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সর্বশেষ দুপুর ১২টার দিকে ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল, দু-এক দিনের মধ্যে বাড়ি আসবে, আমাকে ইলিশ মাছ কিনে রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমার ভাই আর আসলো না…।’ এর মাত্র ১৫ মিনিট পরই ফার্মগেটের ব্যস্ত সড়কে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আবুল কালাম।

আপডেট : ১২:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে ইলিশ মাছ কিনে রাখতে বলেছিলেন আবুল কালাম

আপডেট : ১২:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক।।
রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের একটি পিলার থেকে ভারী ধাতব যন্ত্রাংশ (বিয়ারিং প্যাড) পড়ে প্রাণ হারালেন তরুণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম (৩৫)। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কালাম শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ইশ্বরকাঠি গ্রামের জলিল চোকদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের জলকাঠি এলাকায় বসবাস করতেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই মেট্রোরেলের ওপর থেকে একটি ভারী ধাতব যন্ত্রাংশ নিচে পড়ে যায় এবং তা সরাসরি আবুল কালামের মাথায় আঘাত করে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা জানান, আবুল কালাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় একটি ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনা করতেন। ব্যবসায়িক কাজে তিনি নিয়মিত ফার্মগেট এলাকায় যাতায়াত করতেন। তার ৫ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে সুরাইয়া আক্তার—এখন পিতৃহারা।

চাচাতো ভাই আব্দুল গণি চোকদার বলেন, ‘আবুল কালাম খুব ভদ্র ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। নিজের চেষ্টায় ব্যবসা দাঁড় করিয়েছিলেন। সরকারের অবহেলার কারণেই আজ আমাদের ভাই মারা গেল। এখন তার পরিবার দেখবে কে?’

নিহতের মেঝ ভাবি আছমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সর্বশেষ দুপুর ১২টার দিকে ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল, দু-এক দিনের মধ্যে বাড়ি আসবে, আমাকে ইলিশ মাছ কিনে রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমার ভাই আর আসলো না…।’ এর মাত্র ১৫ মিনিট পরই ফার্মগেটের ব্যস্ত সড়কে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আবুল কালাম।