চুয়াডাঙ্গা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নভেম্বরেই মুশফিকের শততম টেস্ট

Padma Sangbad

স্পোর্টস ডেস্ক।।
কোনো বিপর্যয় না ঘটলে ১৯ নভেম্বর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিকুর রহিম। ক্রিকেটের ভাবগতিক দেখে বিশ্বাস করা কঠিন যে তাঁর খেলা শততম টেস্টের ক্লাবেও আর কোনো বাংলাদেশি ঢুকবেন।

২০০০ সালের ১০ নভেম্বরে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের। পরদিন দেশের এবং নিজের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন আমিনুল ইসলাম। সেঞ্চুরি আরো অনেক হয়েছে, কিন্তু দেশের এবং নিজের অভিষেক সেঞ্চুরির কীর্তি বিসিবির বর্তমান সভাপতির দখলেই থাকবে। এত বছর পর সেই নভেম্বরেই আরেকটি কীর্তির সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

অভাবিত কোনো বিপর্যয় না ঘটলে ১৯ নভেম্বর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিকুর রহিম। ২০০৫ সালে লর্ডসে টেস্ট অভিষেকের পর মুশফিকের এই দীর্ঘ যাত্রার অনেকটাই দেখেছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তাঁর কাছে মুশফিকের ধৈর্য্টাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে, মুশফিকের অনেক পরে শুরু করে জো রুট ১৫০ টেস্ট (১৫৮) খেলে ফেলেছে। স্টিভ স্মিথও ১০০ টেস্ট খেলেছে আরো আগে।

মুশফিকের পরে শুরু করে খেলাও ছেড়ে দিয়েছে স্টুয়ার্ট ব্রড, বিরাট কোহলি। মুশফিক যে এত বছর ধরে ধৈর্য ধরে টেস্ট ক্রিকেট খেলছে, এটা বিশাল ব্যাপার।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুশফিকের শততম টেস্ট খেলতে পারার তাৎপর্য আরো সুদূরপ্রসারী। শুরুর দিকে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা বেশি থাকলেও অপরিণত বাংলাদেশ খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি।

এখন কিছুটা উন্নতি হলেও আন্তর্জাতিক সূচিতে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা বড় দলগুলোর তুলনায় অনেক কম। সেই বিচারে মুশফিককে বিশেষ মনে করেন আরেক সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ, ‘আমাদের জন্য, আমাদের ক্রিকেটের জন্য এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। দুই দশক ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সহজ ব্যাপার নয়। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্য এটা অনেক বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সুযোগ ছিল মুশফিকের সমসাময়িক সতীর্থ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালেরও। কিন্তু নানা ঘটনাপ্রবাহে তা আর হয়নি। এখানে ব্যতিক্রম মুশফিক। সময়ের পরিক্রমায় নিজের এক সময়ের কাছের সতীর্থদের মধ্যে একমাত্র তিনিই শুধু জাতীয় দলে খেলছেন। হোক শুধু টেস্ট ক্রিকেট।

আপডেট : ১২:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

নভেম্বরেই মুশফিকের শততম টেস্ট

আপডেট : ১২:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

স্পোর্টস ডেস্ক।।
কোনো বিপর্যয় না ঘটলে ১৯ নভেম্বর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিকুর রহিম। ক্রিকেটের ভাবগতিক দেখে বিশ্বাস করা কঠিন যে তাঁর খেলা শততম টেস্টের ক্লাবেও আর কোনো বাংলাদেশি ঢুকবেন।

২০০০ সালের ১০ নভেম্বরে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের। পরদিন দেশের এবং নিজের অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন আমিনুল ইসলাম। সেঞ্চুরি আরো অনেক হয়েছে, কিন্তু দেশের এবং নিজের অভিষেক সেঞ্চুরির কীর্তি বিসিবির বর্তমান সভাপতির দখলেই থাকবে। এত বছর পর সেই নভেম্বরেই আরেকটি কীর্তির সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

অভাবিত কোনো বিপর্যয় না ঘটলে ১৯ নভেম্বর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামবেন মুশফিকুর রহিম। ২০০৫ সালে লর্ডসে টেস্ট অভিষেকের পর মুশফিকের এই দীর্ঘ যাত্রার অনেকটাই দেখেছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তাঁর কাছে মুশফিকের ধৈর্য্টাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে, মুশফিকের অনেক পরে শুরু করে জো রুট ১৫০ টেস্ট (১৫৮) খেলে ফেলেছে। স্টিভ স্মিথও ১০০ টেস্ট খেলেছে আরো আগে।

মুশফিকের পরে শুরু করে খেলাও ছেড়ে দিয়েছে স্টুয়ার্ট ব্রড, বিরাট কোহলি। মুশফিক যে এত বছর ধরে ধৈর্য ধরে টেস্ট ক্রিকেট খেলছে, এটা বিশাল ব্যাপার।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুশফিকের শততম টেস্ট খেলতে পারার তাৎপর্য আরো সুদূরপ্রসারী। শুরুর দিকে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা বেশি থাকলেও অপরিণত বাংলাদেশ খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি।

এখন কিছুটা উন্নতি হলেও আন্তর্জাতিক সূচিতে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা বড় দলগুলোর তুলনায় অনেক কম। সেই বিচারে মুশফিককে বিশেষ মনে করেন আরেক সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ, ‘আমাদের জন্য, আমাদের ক্রিকেটের জন্য এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। দুই দশক ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সহজ ব্যাপার নয়। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্য এটা অনেক বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সুযোগ ছিল মুশফিকের সমসাময়িক সতীর্থ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালেরও। কিন্তু নানা ঘটনাপ্রবাহে তা আর হয়নি। এখানে ব্যতিক্রম মুশফিক। সময়ের পরিক্রমায় নিজের এক সময়ের কাছের সতীর্থদের মধ্যে একমাত্র তিনিই শুধু জাতীয় দলে খেলছেন। হোক শুধু টেস্ট ক্রিকেট।