চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী বরুণ হত্যা মামলার আসামি কারাগারে

Padma Sangbad

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী বরুণ কুমার ঘোষ হত্যা মামলার মূল আসামি তন্ময় ঘোষকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তন্ময় ঘোষ ঝিনাইদহ শহরের হামদহ ঘোষপাড়া এলাকার মৃত তিমির কুমার ঘোষের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মোক্তার হোসেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে শহরের হামদহ ঘোষপাড়া থেকে বাইপাস মোড় এলাকায় যাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী বরুণ কুমার ঘোষ। সে সময় ১০ থেকে ১২ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বরুণ কুমারের এক হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর থেকেই আসামি তন্ময় ঘোষ আত্মগোপনে ছিলেন। নিহতের ভাই অরুণ কুমার ঘোষ বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

আপডেট : ১২:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী বরুণ হত্যা মামলার আসামি কারাগারে

আপডেট : ১২:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহে চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী বরুণ কুমার ঘোষ হত্যা মামলার মূল আসামি তন্ময় ঘোষকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তন্ময় ঘোষ ঝিনাইদহ শহরের হামদহ ঘোষপাড়া এলাকার মৃত তিমির কুমার ঘোষের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মোক্তার হোসেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে শহরের হামদহ ঘোষপাড়া থেকে বাইপাস মোড় এলাকায় যাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী বরুণ কুমার ঘোষ। সে সময় ১০ থেকে ১২ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বরুণ কুমারের এক হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর থেকেই আসামি তন্ময় ঘোষ আত্মগোপনে ছিলেন। নিহতের ভাই অরুণ কুমার ঘোষ বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।