চুয়াডাঙ্গা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি কমানো ও মূল্যস্ফীতি বাড়ানো হচ্ছে: অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন

Padma Sangbad

সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি কমানো ও মূল্যস্ফীতি বাড়ানো হচ্ছে
চলমান ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি হার কমানো এবং মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, আমরা যখন বাজেট দিয়েছিলাম, তখন বাস্তবতার নিরিখেই দিয়েছিলাম। সংশোধিত বাজেটে কোনো বড় ব্যত্যয় ঘটবে না। বাজেট বাস্তবায়নের সময় নানা ইস্যু আসে, যার মধ্যে অর্থসংস্থানের বিষয়টি অন্যতম। এখন আমরা দুইটি বড় বিষয় রেখেছি—প্রবৃদ্ধি কমানো এবং মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য বাড়ানো।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাজেট ঘোষণার সময় আমরা বাস্তবধর্মী ও প্রেগমেটিক পদ্ধতিতে তা করেছি। তখনকার প্রেক্ষাপটে বাজেটটি ছিল বাস্তবসম্মত। তবে বাস্তবায়নের সময় নানা জটিলতা আসে। অর্থসংস্থানের সমস্যা, এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বাধাসহ অনেক বিষয় যুক্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা একেবারে ব্যাপকভাবে বাজেট পরিবর্তন করছি না। কেবলমাত্র প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য সংশোধন করছি। প্রবৃদ্ধি হার কিছুটা কমানো হয়েছে, আর মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হচ্ছে। বাকিগুলো টাকার অংকে তেমন পরিবর্তন হবে না।

রাজস্ব ঘাটতির প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের কাছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা এবং পেট্রোবাংলার কাছে প্রায় দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাওনা রয়েছে। এসব পাওনা আদায়ে আমরা তাগাদা দিচ্ছি।

তিনি আরও জানান, “আমরা যে দামে পেট্রোল কিনি, সেই দামে বিক্রি করতে পারছি না। প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে না পারায় সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা রাজস্ব বাড়ানোর বিষয়ে সচেতন। কর ফাঁকি ও রাজস্ব লিকেজ বন্ধে বিশেষ নজর দিয়েছি। কর আদায়ের নির্দেশনাই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা রাজস্ব বাড়ানোর জন্য সচেষ্ট। ট্যাক্স যেন ফাঁকি না যায়, রাজস্বে যেন কোনো ফাঁকফোকর না থাকে, সেদিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সবদিক বিবেচনা করেই রাজস্ব নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপডেট : ০৪:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি কমানো ও মূল্যস্ফীতি বাড়ানো হচ্ছে: অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন

আপডেট : ০৪:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি কমানো ও মূল্যস্ফীতি বাড়ানো হচ্ছে
চলমান ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি হার কমানো এবং মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, আমরা যখন বাজেট দিয়েছিলাম, তখন বাস্তবতার নিরিখেই দিয়েছিলাম। সংশোধিত বাজেটে কোনো বড় ব্যত্যয় ঘটবে না। বাজেট বাস্তবায়নের সময় নানা ইস্যু আসে, যার মধ্যে অর্থসংস্থানের বিষয়টি অন্যতম। এখন আমরা দুইটি বড় বিষয় রেখেছি—প্রবৃদ্ধি কমানো এবং মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য বাড়ানো।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাজেট ঘোষণার সময় আমরা বাস্তবধর্মী ও প্রেগমেটিক পদ্ধতিতে তা করেছি। তখনকার প্রেক্ষাপটে বাজেটটি ছিল বাস্তবসম্মত। তবে বাস্তবায়নের সময় নানা জটিলতা আসে। অর্থসংস্থানের সমস্যা, এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বাধাসহ অনেক বিষয় যুক্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা একেবারে ব্যাপকভাবে বাজেট পরিবর্তন করছি না। কেবলমাত্র প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য সংশোধন করছি। প্রবৃদ্ধি হার কিছুটা কমানো হয়েছে, আর মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হচ্ছে। বাকিগুলো টাকার অংকে তেমন পরিবর্তন হবে না।

রাজস্ব ঘাটতির প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের কাছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা এবং পেট্রোবাংলার কাছে প্রায় দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাওনা রয়েছে। এসব পাওনা আদায়ে আমরা তাগাদা দিচ্ছি।

তিনি আরও জানান, “আমরা যে দামে পেট্রোল কিনি, সেই দামে বিক্রি করতে পারছি না। প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে না পারায় সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা রাজস্ব বাড়ানোর বিষয়ে সচেতন। কর ফাঁকি ও রাজস্ব লিকেজ বন্ধে বিশেষ নজর দিয়েছি। কর আদায়ের নির্দেশনাই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা রাজস্ব বাড়ানোর জন্য সচেষ্ট। ট্যাক্স যেন ফাঁকি না যায়, রাজস্বে যেন কোনো ফাঁকফোকর না থাকে, সেদিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সবদিক বিবেচনা করেই রাজস্ব নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে।