চুয়াডাঙ্গা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেরুজ লেডিস ক্লাবের পিঠা উৎসবে বাহারি আয়োজন, উদ্বোধন করলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

Padma Sangbad

আব্দুর রহমান অনিক।।
দর্শনা কেরুজ লেডিস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে একদিন বাপি পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে কেরুজ লেডিস ক্লাবের বিভিন্ন সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। শীতকালীন আমেজে দেশের ঐতিহ্যবাহী নানা রকমের পিঠা সাজানো হয়।

পিঠা উৎসবে দর্শনার্থীদের জন্য বাহারি পিঠার এক বিশাল সমাহার ছিল, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জিলাপি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, দুধ চিতই, বিবিখানা, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি এবং দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও অনেক ঐতিহ্যবাহী পিঠা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,
বাংলাদেশ সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের স্ত্রী সায়েরা রহমান খান, খুলনা ডিআইজি রেজাউল হক,
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম,কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানসহ কেরুর বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং তাদের স্ত্রীরা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, যা পুরো আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

আপডেট : ০৫:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

কেরুজ লেডিস ক্লাবের পিঠা উৎসবে বাহারি আয়োজন, উদ্বোধন করলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

আপডেট : ০৫:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

আব্দুর রহমান অনিক।।
দর্শনা কেরুজ লেডিস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে একদিন বাপি পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে কেরুজ লেডিস ক্লাবের বিভিন্ন সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। শীতকালীন আমেজে দেশের ঐতিহ্যবাহী নানা রকমের পিঠা সাজানো হয়।

পিঠা উৎসবে দর্শনার্থীদের জন্য বাহারি পিঠার এক বিশাল সমাহার ছিল, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জিলাপি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, দুধ চিতই, বিবিখানা, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি এবং দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও অনেক ঐতিহ্যবাহী পিঠা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,
বাংলাদেশ সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের স্ত্রী সায়েরা রহমান খান, খুলনা ডিআইজি রেজাউল হক,
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম,কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানসহ কেরুর বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং তাদের স্ত্রীরা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, যা পুরো আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।