চুয়াডাঙ্গা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বেড়ে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড

Padma Sangbad

আবহাওয়া ডেস্ক।।

চুয়াডাঙ্গায় শীত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সকাল বাড়লেও সূর্যের তেমন উষ্ণতা নেই, আর ঘন কুয়াশা ও উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা কনকনে হিমেল বাতাস সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। কর্মজীবী মানুষ থেকে খেটে খাওয়া মানুষ—সবারই শীতের কারণে ভোগান্তি বাড়ছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এ মৌসুমে জেলায় এখন পর্যন্ত রেকর্ডকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, সকাল ৯টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে শুষ্ক থাকতে পারে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা থাকতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতকালীন এই তীব্রতা বিশেষ করে কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলেন, তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

আপডেট : ০২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বেড়ে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড

আপডেট : ০২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

আবহাওয়া ডেস্ক।।

চুয়াডাঙ্গায় শীত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সকাল বাড়লেও সূর্যের তেমন উষ্ণতা নেই, আর ঘন কুয়াশা ও উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা কনকনে হিমেল বাতাস সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। কর্মজীবী মানুষ থেকে খেটে খাওয়া মানুষ—সবারই শীতের কারণে ভোগান্তি বাড়ছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এ মৌসুমে জেলায় এখন পর্যন্ত রেকর্ডকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, সকাল ৯টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে শুষ্ক থাকতে পারে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা থাকতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতকালীন এই তীব্রতা বিশেষ করে কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলেন, তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।