চুয়াডাঙ্গা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড: মূল আসামি আয়েশা গ্রেফতার

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যেখানে মা লায়লা আফরোজ (৪৮) এবং তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) হত্যার ঘটনায় মূল আসামি আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা থেকে তাকে ধরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত আয়েশা গ্রেফতার হয়েছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে গ্লাভস পরে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

ভবনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, আয়েশা বোরকা পরে বাসায় প্রবেশ করেন এবং বের হওয়ার সময় নাফিসার স্কুল ড্রেস পরেছিলেন। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নাফিসার বাবা সকাল ৭টায় স্কুলে যান, এবং ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বোরকা পরে সাত তলা বাসার লিফটে উঠেন। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে কাঁধে স্কুল ব্যাগ নিয়ে, ড্রেস পরা ও মুখে মাস্ক লাগানো অবস্থায় তিনি বের হন।

পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, আজিজুল ইসলাম তার স্ত্রী ও মেয়ের মৃতদেহ সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখেন। তিনি জানান, চার দিন আগে ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে আয়েশাকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রবিবার বাসার মূল দরজার চাবি হারানো সত্ত্বেও তাকে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি।

আজিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, মেয়েটির পরিচয় ও ফোন নম্বর চাইলে আয়েশা জানান, আগুনে তার বাবা-মা মারা গেছেন এবং সে নিজেও দগ্ধ হয়েছে।

২০১২ সাল থেকে আজিজুল ইসলাম তার পরিবার নিয়ে বহুতল ভবনের অষ্টম তলায় ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন।

আপডেট : ০৩:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড: মূল আসামি আয়েশা গ্রেফতার

আপডেট : ০৩:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক।।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যেখানে মা লায়লা আফরোজ (৪৮) এবং তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫) হত্যার ঘটনায় মূল আসামি আয়েশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা থেকে তাকে ধরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জোড়াখুনের ঘটনায় জড়িত আয়েশা গ্রেফতার হয়েছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে গ্লাভস পরে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

ভবনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, আয়েশা বোরকা পরে বাসায় প্রবেশ করেন এবং বের হওয়ার সময় নাফিসার স্কুল ড্রেস পরেছিলেন। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নাফিসার বাবা সকাল ৭টায় স্কুলে যান, এবং ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বোরকা পরে সাত তলা বাসার লিফটে উঠেন। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে কাঁধে স্কুল ব্যাগ নিয়ে, ড্রেস পরা ও মুখে মাস্ক লাগানো অবস্থায় তিনি বের হন।

পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, আজিজুল ইসলাম তার স্ত্রী ও মেয়ের মৃতদেহ সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখেন। তিনি জানান, চার দিন আগে ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে আয়েশাকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রবিবার বাসার মূল দরজার চাবি হারানো সত্ত্বেও তাকে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি।

আজিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, মেয়েটির পরিচয় ও ফোন নম্বর চাইলে আয়েশা জানান, আগুনে তার বাবা-মা মারা গেছেন এবং সে নিজেও দগ্ধ হয়েছে।

২০১২ সাল থেকে আজিজুল ইসলাম তার পরিবার নিয়ে বহুতল ভবনের অষ্টম তলায় ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন।