চুয়াডাঙ্গা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উদ্ধারের পর শিশু সাজিদকে মৃত ঘোষণা

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ। রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদা।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

শিশুর মৃত্যু সংবাদ বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান। তিনি বলেন, শিশু সাজিদ বেঁচে নেই।
ডা. বার্নাবাস হাসদা জানান, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং অক্সিজেন না পাওয়ায় শিশু সাজিদের মৃত্যু হয়েছে।

শিশুর নানা আইয়ূব আলী বলেন, ‘উদ্ধারের সময় সাজিদ বেঁচে ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছিলেন সে বেঁচে আছে। আমি নিজে দেখেছি সে বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে আসার পর মারা গেল। মরদেহ তার বাড়ি তানোর কুড়িরহাট পূর্বপাড়া নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘রাত ৯টায় শিশুটিকে আমরা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছি। পরে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকেরা জানাবেন।’

প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপডেট : ১১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

উদ্ধারের পর শিশু সাজিদকে মৃত ঘোষণা

আপডেট : ১১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক।।

অবশেষে মারা গেল শিশু সাজিদ। রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদা।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

শিশুর মৃত্যু সংবাদ বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান। তিনি বলেন, শিশু সাজিদ বেঁচে নেই।
ডা. বার্নাবাস হাসদা জানান, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং অক্সিজেন না পাওয়ায় শিশু সাজিদের মৃত্যু হয়েছে।

শিশুর নানা আইয়ূব আলী বলেন, ‘উদ্ধারের সময় সাজিদ বেঁচে ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছিলেন সে বেঁচে আছে। আমি নিজে দেখেছি সে বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে আসার পর মারা গেল। মরদেহ তার বাড়ি তানোর কুড়িরহাট পূর্বপাড়া নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘রাত ৯টায় শিশুটিকে আমরা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছি। পরে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকেরা জানাবেন।’

প্রায় ৩২ ঘণ্টা পর গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।সূত্র: কালের কন্ঠ