অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে সড়ক-স্থাপনা

0
10

অনলাইন ডেস্ক।।
বরগুনার আমতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে স্থানীয়রা। এতে নষ্ট হচ্ছে রাস্তা-ঘাট, জমি, গাছপালা ও বিভিন্ন স্থাপনা। তবে নীরব ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী সড়ক, কালভার্ট, বিভিন্ন স্থাপনার সর্বনিম্ন এক কিলোমিটারের মধ্যে নদী, খাল ও পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা যাবে না। অথচ আমতলী সদর ইউনিয়নের পশ্চিম টিয়াখালী মো. বশির মিয়ার ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন পাকা সড়কের ২০/৩০ গজের মধ্যে খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বাবুল মৃধা নামের এক ব্যক্তি ওই খাল থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন স্থানীয় আইয়ুব খানের বাড়ি ভরাটের কাজে।
উপজেলার বিভিন্নস্থানে এভাবে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কাজ চলমান রয়েছে। অবৈধ মেশিনগুলোর মালিকরা উপজেলার বিভিন্নস্থানে ঘুরে ঘুরে গ্রামের পরিত্যাক্ত খাল, ডোবা ও পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করছে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ড্রেজার মেশিন মালিকরা জানান, নিচু জমি ভরাট, বাসা-বাড়ি ও নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন কাজের জন্য স্বল্প খরচে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করেন। দাম নির্ভর করে দূরত্বের ওপর। গ্রাম-গঞ্জের রাস্তা ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরির কাজে ঠিকাদারেরা তাদের মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করেন। পরিবেশ বিষয়ক আইনি সংস্থা বেলা বরিশাল অফিসের কর্মকর্তা লিংকন বায়েন জানান, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ। বালু উত্তোলন করতে হলে সরকার স্বীকৃত নির্ধারিত বালু মহাল থেকে তা উত্তোলন করতে হয়। পুকুর বা ডোবা থেকে বালু উত্তোলনের সময় সেখানে যে শূন্যস্থান তৈরি হয় তার কারণে আশপাশের ভূমি বা ভূমিতে অবস্থিত রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমি, গাছপালা ও বিভিন্ন স্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে যদি কেউ বালু উত্তোলন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here