রক্ষক যখন নিজেই ভক্ষক

0
7

অনলাইন ডেষ্ক :
ধর্ষণকাণ্ডে জড়াচ্ছে পুলিশের মাঠপর্যায়ের সদস্যরা। খুলনা থেকে যশোরের শার্শা, এর আগে রাজধানী থেকে শুরু করে মাদারীপুর, চট্টগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জ ও বাগেরহাট যেন দেশের কোনো প্রান্তেই থেমে নেই পুলিশি ধর্ষণ। একের পর এক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেই চলেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

সমাজের বিভিন্ন স্তরের ধর্ষকদের উৎপাতে যখন আতঙ্কে নারী-শিশু-তরুণী, ঠিক তখনই ধর্ষণে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে পুলিশের কতিপয় সদস্যও। আইনের রক্ষকই যেন আজ ধর্ষকের ভূমিকায় উত্তীর্ণ হচ্ছে। ঘুষের টাকা না পেয়ে আসামির স্ত্রীকেও ধর্ষণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি খুলনা জিআরপি থানায় মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য রাতভর এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত সোমবার রাতে যশোরের শার্শা উপজেলায় আরেক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সোর্সসহ পুলিশের এসআই খায়রুলের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, যশোরের এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার ধর্ষণের শিকার নারীর করা মামলায় শার্শার চটকাপোতা গ্রামের কামরুল ইসলাম, লক্ষ্মণপুর গ্রামের ওমর আলী (৫০) ও আবদুল লতিফকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হলেও শার্শা থানার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই খায়রুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

খায়রুলের বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। অথচ ওই নারীর দাবি, ধর্ষণের সময় পুলিশ সদস্যসহ চারজন উপস্থিত ছিলেন। এসআই খায়রুল ও তার সোর্স কামরুল তাকে ধর্ষণ করেছেন।

যদিও যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেছেন, মঙ্গলবার বিকেলে ওই নারীর সামনে এসআই খায়রুলসহ চারজনকে হাজির করা হলেও তিনি খায়রুল ছাড়া অপর তিনজনকেই চিনতে পেরেছেন।

ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী একসময় চোরাচালানিদের পণ্য বহন করতেন। তবে এখন কৃষিকাজ করেন। ৯দিন আগে এসআই খায়রুল বাড়ি থেকে তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যান।

পরে এসআই খাইরুল তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় ওই নারীর স্বামীর কাছে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া গেছে বলে আদালতে চালান করে দেয়া হয়।

থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানালেও কেউ তার কথা শোনেনি বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। তার অভিযোগ, ‘সোমবার রাত আড়াইটার দিকে এসআই খায়রুল, তার সোর্স কামরুল ও গ্রামের আরও তিন থেকে চারজন বাড়িতে এসে ডাকাডাকি করেন।

এত রাতে দরজা খুলতে না চাইলে তারা আমার স্বামীর নামে মামলা দেবেন বলে হুমকি দেন। তখন আমি দরজা খুলে দেই। এ সময় খায়রুল আবারো ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা না দিলে ৫৪ ধারায় মামলা করার হুমকি দেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে আমার ঝগড়াও হয়। একপর্যায়ে খায়রুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি ও কামরুল দুজন মিলে আমাকে ধর্ষণ করেন।’

ওই নারী আরও বলেন, ‘তারা (এসআই খায়রুলসহ অন্যরা) চলে যাওয়ার পর ঘটনাটি প্রতিবেশীদের জানালে প্রতিবেশীরা আমাকে মামলার পরামর্শ দেন। মামলা করতে হলে হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা করাতে হবে। এ কারণে আমি থানায় না গিয়ে সোজা যশোর জেনারেল হাসপাতালে যাই।’

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারী জরুরি বিভাগে আসেন। অভিযোগ শুনে তাকে জানাই, এ ধরনের পরীক্ষা পুলিশের মাধ্যমে না এলে করা যায় না।

এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মনিনুজ্জামান ওই নারীকে পুলিশ সুপারের কাছে নিয়ে যান। শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, ওই নারী তিনজনের নাম উল্লেখসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করেছেন।

পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, ‘অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের সিনিয়র কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। পুলিশ সদস্য বলে তদন্তে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’

এদিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফ আহম্মেদ জানিয়েছেন, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদন আসার পর বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে ধর্ষণে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এগুলো পুলিশের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে গত ২ আগস্ট খুলনার জিআরপি থানায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে থানা-হাজতে ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য কর্তৃক গণধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও মামলা হলেও তার রেশ কাটেনি এখনো। এরই মধ্যে যশোরের এ ঘটনা দেশের মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন বলেন, ক্ষমতা যাদের হাতে তারাই এমন একটা অবস্থার সৃষ্টি করছে। এর থেকে রক্ষা পাচ্ছে না নারী-শিশুরাও।

তিনি বলেন, গত এক মাসের মধ্যে খুলনায় পুলিশ কর্তৃক গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলো। এর এক মাসের মাথায় শার্শার ঘটনা— এগুলো বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে চেইন অব কমান্ডের সংকট রয়েছে। নজরদারি এবং স্বচ্ছতারও অভাব রয়েছে। এগুলোর বিরুদ্ধে এখনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এগুলো রোধ করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে নৈতিকতার সংকট দেখা দেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যেই যদি এরকম ঘটনা ঘটে তাহলে মানুষ আশ্রয় নেবে কোথায় এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

এর আগে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে মোক্তার হোসেন নামে মাদারীপুর থানার এক কনস্টেবল স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ উঠে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, শহরের টিভি ক্লিনিক সড় থেকে তাকে ডেকে নেয় প্রতিবেশী কনস্টেবল মোক্তার হোসেন। পরে দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করে। এর আগে তাকে লাঠি দিয়েও পিটায় বলে জানায় ওই শিক্ষার্থী।

ঘটনার পর মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানকার চিকিৎসক ডা. মফিজুল ইসলাম লেলিন বলেন, মেয়েটি পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।

সেরে উঠতে কমপক্ষে তিন মাস সময় লাগবে। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার বলেছিলেন, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যদিও পুরো অভিযোগই অস্বীকার করেন পুলিশ সদস্য মোক্তার হোসেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। শুধু শুধু স্থানীয়রা ঘরের বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল।

ওই মেয়ের সাথে আমার কিছু হয়নি। তবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে পুলিশ সুপার বা ওসির সাহায্য কেন নেয়নি জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

২৯ আগস্ট ২০১৭, চট্টগ্রামে এক নারীর কাছ থেকে দুই হাজার ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার দেখিয়ে মামলা করার অভিযোগ উঠে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। সাজানো ওই মামলায় চার মাস কারাভোগও করেন ওই নারী।

এদিকে পুলিশকে এ ঘটনায় সহযোগিতা করে ওই নারীর স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তানেরাসহ ১৩ জন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তদন্তে বিষয়টি উঠে আসে।

ঘটনাটি ২০১৭ সালের ২৯ আগস্টের। চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, সম্পত্তির ভাগ না দিতেই ওই নারীকে ধর্ষণের পর ইয়াবাসহ পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়। তদন্তে তিন পুলিশ সদস্য সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা পাওয়া যায়। ২২১ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়েছিল।

আরেক তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক আবু জাফর মো. ওমর ফারুকও গণমাধ্যমকে একই কথা বলেন। এ ঘটনায় ওই নারীকে ফাঁসানোর গল্পও তুলে ধরা হয় পিবিআইসহ ডিবির তদন্তে।

শুধু তাই নয়— খোদ রাজধানীতেই পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায়ও এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা ঘটে চলতি বছরে। পুলিশের দুই সদস্যসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই ঘটনায় ধর্ষণ মামলাও হয়।

গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালিকা) তত্ত্বাবধায়ক তাসনিম ফেরদৌসী বাদি হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ওই মামলা করেন। নাঈম হাসান নামে এক যুবক, পুলিশের নায়েক সাইদুল ও নারী কনস্টেবল রোকসানাকে আসামি করা হয় ওই মামলায়।

এ ছাড়াও রাজধানীতে আরও এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাদল নামে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। অপর আসামির নাম জয় ঘোষ (২৪)। এসএসসি পরীক্ষার্থী ওই কিশোরীর বয়স ১৬ বছর। মা-বাবার সঙ্গে ঢাকাতেই থাকে সে।

ফেসবুকে জয় ঘোষের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হয়। তারই সূত্র ধরে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন আসামি জয় ঘোষ। মেয়েটির মোবাইল ফোনে ধর্ষণের দৃশ্য ধারণও করেন ওই আসামি।

পরে মেয়েটিকে তার মোবাইল ফোন না দিয়ে গুলিস্তান এলাকায় নামিয়ে দেয় ওই যুবক। গুলিস্তানে নেমে ভুক্তভোগী মেয়েটি ভয় পেয়ে পুলিশ কনস্টেবল বাদল হোসেনের কাছে ঘটনা খুলে বলে এবং সহায়তা চায়।

বাদল তখন তাকে মোবাইল ফোন উদ্ধারের আশ্বাস দেন এবং বাড়ি পৌঁছে দিতে চান। পরে ওই কিশোরীকে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বাদল নিয়ে যান যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাড়িতে। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন বাদল।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া দু’দিন আটকে রেখে এক নারীকে ধর্ষণ করে সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম। ধর্ষণ ও মাদক সেবন করানোর বিরুদ্ধে ওই নারীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রিমান্ডেও নেয়া হয়। ওয়াজ শুনতে নানার বাড়িতে গিয়েও নবম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে পুলিশের কনস্টেবলসহ দুইজন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় বাড়ির লোকজন পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান বেপারী পাড়া মসজিদের ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে গেলে এ সুযোগে একই এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ও পুলিশ লাইনে কর্মরত কনস্টেবল মৃদুল মিয়া (২৩), সোলায়মানের ছেলে নিজাম মিয়া (২৪), সিয়াম হোসেন (২২) ওই শিক্ষার্থীকে ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই এলাকাবাসী ওই কনস্টেবলসহ দুজনকে আটক করতে ধাওয়া করে।

এলাকাবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীর মা আকলিমা বেগম বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। একই জেলায় আরেক গৃহবধূকে অচেতন করে ধর্ষণ ও অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে কয়েক লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের আরেক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। যদিও ওই যুবক কনস্টেবল কি না তা তদন্ত করে জানানো হবে বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

ধর্ষণ থেকে বাদ নেই নৌ-পুলিশের কনস্টেবলও। বাগেরহাটের রামপালে এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে নৌ-পুলিশের এক কনস্টেবলকে ধরে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। আটক মুস্তাকিন বিল্লাহ (৩২) রামপাল উপজেলার মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌচ্যানেলের সন্ন্যাসী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here