সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকসহ ৩ জনের কারাদণ্ড।

সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকসহ ৩ জনের কারাদণ্ড

0
16

সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকসহ ৩ জনের কারাদণ্ড।

 প্রায় ১ কোটি টাকা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখা ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারসহ তিনজনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এ রায় দেন।

 

দণ্ডিত অপর দুই আসামি হলেন, রুস্তম আলী হাওলাদার ও সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার জমাদার মো. আনিসুর রহমান। রায়ে পলাতক আসামি রুস্তম আলীর দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড। এ ছাড়া ৪৬৮ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমান, অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাদণ্ড। একই সঙ্গে ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হয়েছে।

রায়ে অপর পলাতক আসামি মো. আনিসুর রহমানেরও একই দণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
রায়ে সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোডের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হেয়েছে।
মামলায় রণজিত কুমার বণিক, মো. মফিদুল ইসলাম ও মো. গোলাম কিবরিয়া নামে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার দুদকের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জুয়েল জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে আত্মসাত করেন।
ওই অভিযোগে ১৯৯৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোড শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আবুল কালাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here