টানা সপ্তম শিরোপা থেকে এক জয় থেকে দূরে জুভেন্টাস।

টানা সপ্তম শিরোপা থেকে এক জয় থেকে দূরে জুভেন্টাস

0
30

প্রত্যাশিত এই জয়ে ৩৬ ম্যাচে ৯১ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপার সুবাস পাচ্ছে জুভেন্টাস। ৩৫ ম্যাচে ৮৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপোলি রবিবার রাতে নিজেদের মাঠে হারলেও ট্রফি নিশ্চিত হয়ে যাবে জুভেন্টাসের। জিতলেও অবশ্য ঘরের মাঠে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল স্বাগতিকরা। এরপর আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফেরার জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বোলোগ্নাকে এগিয়ে নেন সিমোন ভার্ডি। ডি বক্সের মধ্যে ড্যানিয়েল রুগানি লরেন্সোকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। জুভেন্টাসের আপত্তির পর ভিডিও এ্যাসিসটেন্ট রেফারির সহযোগিতা নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্তই রাখেন মাঠের রেফারি। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা জুভেন্টাস ঘুরে দাঁড়ায় দ্বিতীয়ার্ধে। ৫১ মিনিটে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ম্যাচে ফেরে ম্যাসিমিলিয়ানো এ্যালেগ্রি। জুয়ান কুয়ারডাডোর ক্রস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন ডে মাইও।

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ রেকর্ড টানা সপ্তম শিরোপা থেকে আর মাত্র এক জয় দূরে জুভেন্টাস। আর বাকি দু’টি ম্যাচের মধ্যে তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারলেই ট্রফি নিজেদের শোকেসে রাখতে পারবে জুভরা। শনিবার রাতে বোলোগ্নাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন গঞ্জালো হিগুয়াইন, পাওলো দিবালারা।

প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ ধরে রেখে ৬৩ মিনিটে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। বামপ্রান্ত থেকে ডগলাস কোস্টার ক্রস কেইটা বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে পেছনে থাকা সামি খেদিরা সুযোগটা কাজে লাগান। খেদিরা কেইটাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছিলেন কিনা সেটা দেখতে এখানেও ব্যবহার করা হয় ভিডিও এ্যাসিসটেন্ট রেফারি প্রযুক্তি। কিন্তু গোলটি বৈধতা পায়। ৬৯ মিনিটে লীগে ২৯তম জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে নেয় জুভেন্টাস। এবারও কোস্টার বাড়ানো বল বাঁ পায়ের নিখুঁত প্লেসিং শটে জালে জড়িয়ে দেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড দিবালা।

শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভরা। ম্যাচ শেষে দলটির কোচ এ্যালেগ্রি বলেন, এখন শিরোপা জয় আমাদের সাধ্যের মধ্যেই আছে। পরের ম্যাচে জিতেই উৎসব করতে চান ফুটবলাররা। অবশ্য গত রাতে যদি নেপোলি তাদের ম্যাচটি হেরে যায় তাহলে পরের ম্যাচে মাঠে নামার আগেই ট্রফি নিশ্চিত হয়ে যাবে তুরিনের ওল্ড লেডিদের।

ইতালিয়ান সিরি’এ ইতালির পেশাদার ফুটবলের সর্বোচ্চ লীগ। এখানে আধুনিক যুগে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে চলেছে জুভেন্টাস। জুভেন্টাস লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৯০৫, ১৯২৫-২৬, ১৯৩০-৩১, ১৯৩১-৩২, ১৯৩২-৩৩, ১৯৩৩-৩৪, ১৯৩৪-৩৫, ১৯৪৯-৫০, ১৯৫১-৫২, ১৯৫৭-৫৮, ১৯৫৯-৬০, ১৯৬০-৬১, ১৯৬৬-৬৭, ১৯৭১-৭২, ১৯৭২-৭৩, ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৬-৭৭, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৮০-৮১, ১৯৮১-৮২, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৬-৯৭, ১৯৯৭-৯৮, ২০০৯-১০, ২০১০-১১, ২০১১-১২, ২০১২-১৩, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ মৌসুমে। ১৯২৯-৩০ মৌসুম হতে সিরি’এ ৮০ বছরেরও অধিক সময় ধরে হয়ে যাচ্ছে। সিরি’এ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল লীগ হিসেবে বিবেচিত। এই লীগের দলগুলো সর্বাধিক ২৬ বার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে খেলেছে। ্এর মধ্যে ১২ বার শিরোপা জয় করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here