অনলাইন ডেস্ক।।
চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে ব্যাপক জনসমাগমের মধ্য দিয়ে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।
সমাবেশ ঘিরে দুপুর থেকেই চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে লালদিঘী ময়দানে জড়ো হতে থাকেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে জনস্রোতের রূপ নেয়। দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
গণরায়ের বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশ আয়োজন করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
মহাসমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন মহানগর ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিচ্ছেন। তারা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, নির্বাচনসহ বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।
সমাবেশ ঘিরে লালদিঘী ময়দান ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেবেন—লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগরের নেতারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।
সমাবেশ ঘিরে লালদিঘী ময়দান ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
সমাবেশ সফল করতে জোটের পক্ষ থেকে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। এর ফলে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।