শিমুল রেজা।।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালী এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই তদারকি অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও বীজ বিক্রি, লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি এবং নামের আগে ভুয়া ‘ডাক্তার’ পদবী ব্যবহারের মতো বিভিন্ন গুরুতর অনিয়ম হাতেনাতে ধরা পড়ে।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী চারটি পৃথক মামলায় এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে লাইসেন্স ছাড়া গ্যাস বিক্রির দায়ে মো. মফিজ উদ্দীনের ‘মেসার্স তিতাস সাইকেল স্টোর’কে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও প্রেসক্রিপশনে ‘ডা.’ পদবী অপব্যবহারের দায়ে মো. আশরাফুল আলমের ‘মেসার্স সামিরন ফার্মেসি’কে ১০ হাজার টাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রির অপরাধে মো. রবিউল হকের ‘মেসার্স রবিউল বীজ ভান্ডার’কে ৩ হাজার টাকা এবং ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ হোমিও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে মো. হুমায়ুন কবিরের ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ হোমিও ক্লিনিক’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। অভিযান চলাকালে বাজারে মূল্যতালিকা হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন শিশুখাদ্য, ওষুধ বা বীজ বিক্রি থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানে জেলা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির বহিরাঙ্গন কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। জনস্বার্থে এই ধরনের বাজার মনিটরিং অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।