দৈনিক পদ্মা সংবাদ।
দেশে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তারের সুযোগে ফেসবুক, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অবৈধ জুয়ার আসর পরিচালনার অভিযোগ বাড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের নামে প্রতারণামূলক চক্রও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে টেলিগ্রামের বিভিন্ন গোপন গ্রুপ ও ফেসবুকের কিছু পেজে অনলাইন ক্যাসিনো, বাজি এবং বিভিন্ন ধরনের জুয়ার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এসব চক্র মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে সাধারণ মানুষকে দ্রুত লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে।
এদিকে বিভিন্ন পরীক্ষা সামনে এলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘প্রশ্নফাঁস’ বা ‘কমন প্রশ্ন’ দেওয়ার নামে অসংখ্য পোস্ট ও গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব দাবি ভুয়া এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন জুয়া ও প্রশ্নফাঁসের নামে প্রতারণা শুধু আর্থিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং তরুণ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থাও ক্ষুণ্ন করছে। তাই এসব অপরাধে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজব বা প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হওয়ার এবং সন্দেহজনক কোনো অনলাইন কার্যক্রম দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।