দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
দর্শনায় তরমুজ চাষি মজনু মিয়ার কাছে চাদা দাবি, মারধর এবং মোটরসাইকেল ও স্মার্টফোন ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার খবর পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি দর্শনা প্রেসক্লাবের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জরুরি সভা করেছে দর্শনা প্রেসক্লাব।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদ মাগরিব দর্শনা প্রেসক্লাব ভবনে এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেনের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন।
সভায় প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ, প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপ এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনা শেষে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে দর্শনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলামকে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন সাংবাদিক সমিতির সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান যুদ্ধ এবং দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন।
গঠিত কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা যাচাইপূর্বক প্রতিবেদন প্রেসক্লাবে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি একরামুল হক পিপুল, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, সাংবাদিক সমিতির জয়েন্ট সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, আহসান হাবীব মামুন, রাজিব মল্লিক, সুকোমল চন্দ্র বাধন, আবিদ হাসান রিফাত, আব্দুর রহমান, ফরহাদ হোসেন ও ইমতিয়াজ আহমেদ রয়েল।
সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিক সংগঠনের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।