মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার খালইষ্ট এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে মেয়ে আটকে পড়েছেন এমন আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন এক মা। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলেও কাউকে পায়নি। পরে জানা যায়, মেয়েটি দরজা বন্ধ করে তাঁর এক বান্ধবীর বাসায় গিয়েছিলেন।
শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে ফোন করে বিউটি বেগম জানান, তাঁর মেয়ে সারিফা ইসলাম কাকলি (২১) একটি ফ্ল্যাটে আটকা পড়েছেন।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, পৌরসভার খালইষ্ট এলাকায় নতুন পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে মেয়েটি আটকে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে মেয়েটির মা জানান, তাঁর মেয়ে ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করে এক বান্ধবীর বাসায় গিয়েছিলেন।
মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে জরুরি সেবায় এ ধরনের খবর দেওয়া উচিত নয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট অপ্রয়োজনে ব্যস্ত থাকলে অন্য কোথাও অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা পৌঁছাতে সমস্যা হতে পারে। এতে সরকারি সম্পদেরও অপচয় হয়।
তিনি জরুরি সেবায় ফোন করার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং ফায়ার সার্ভিসকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।