অনলাইন ডেস্ক।।
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাবর্ষকালীন ক্যালেন্ডারে ছুটি কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানান, আমরা ক্যালেন্ডারের ছুটি কমানোর পরিকল্পনা করছি। তবে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনই থাকবে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার পর সবাইকে জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনটি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও শিক্ষাবর্ষকাল দীর্ঘদিন ধরে একই কাঠামোয় চলে আসছে। তবে শিক্ষার্থীর পাঠ্যক্রম শেষ করা, পরীক্ষার সময়সূচি এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময়ে ছুটি ও শিক্ষাবর্ষকাল পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি বিবেচনা করে।
শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যালেন্ডারের ছুটি কমানো নতুন চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ উভয়ই নিয়ে আসবে। দীর্ঘ ছুটি কমে আসার ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে, যা শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। অন্যদিকে, ছুটি কমানোর ফলে শিশুর মানসিক বিশ্রাম কমতে পারে, যা বিশেষভাবে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষাবিদরা মনে করেন, ছুটি কমানো হলে পাঠ্যক্রম সময়মতো শেষ করা সম্ভব হবে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। তবে শিক্ষার্থীর বিশ্রামের সুযোগও রাখা জরুরি।
অভিভাবকরা একদিকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন যে শিশুরা নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারবে, তবে অনেকে আশঙ্কা করছেন যে ছুটি কমানোর ফলে পরিবার ও শিক্ষার্থীর মানসিক বিশ্রামে প্রভাব পড়তে পারে।
মন্ত্রণালয় ছুটি কমানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা সব প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জানানো হবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শিক্ষাবর্ষকাল ও সময়সূচি সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করবে।