পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :

সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই দুটি শব্দ বেশ আলোচিত— ভুয়া সংবাদকর্মী এবং হলুদ সংবাদকর্মী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই দুটি পরিচয় শুধু ব্যক্তিবিশেষে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুরো গণমাধ্যম অঙ্গনে। ফলে প্রকৃত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকরাও নানা প্রশ্ন ও অপবাদে জর্জরিত হচ্ছেন।
সাধারণভাবে, কোনো স্বীকৃত পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন অথচ নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন— এমন ব্যক্তিদের অনেকেই ভুয়া সংবাদকর্মী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। অন্যদিকে, যারা সংবাদপেশাকে ব্যবহার করে দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করেন, অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেন— তাদের বলা হয় হলুদ সংবাদকর্মী।
কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, কিছু অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের দায় এখন অনেক সময় সৎ, নির্ভীক ও পেশাদার সাংবাদিকদের ওপরও এসে পড়ে। ফলে সর্বস্তরের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে, সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

আরও পড়ুন :বর্তমান সরকারের মেয়াদেই বাংলাদেশ হবে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, যার মূল ভিত্তি সত্য প্রকাশ, জনস্বার্থ রক্ষা এবং সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরা। তাই কয়েকজনের অপকর্মের দায়ে পুরো সাংবাদিক সমাজকে দোষারোপ করা কখনোই কাম্য নয়।
সচেতন মহলের মতে, ভুয়া ও হলুদ সাংবাদিকতা রোধে প্রয়োজন যথাযথ যাচাই-বাছাই, নৈতিকতার চর্চা এবং গণমাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সময়ের দাবি।