দৈনিক পদ্মা সংবাদ | নিজস্ব প্রতিবেদন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা জুড়ে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরি, প্রতারণা ও অভিনব কৌশলে চাঁদাবাজির ঘটনা। কখনো সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে, আবার কখনো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নানা ফাঁদ তৈরি করে প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। এতে করে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতে দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন লোভনীয় অফার, লটারির প্রলোভন, বিকাশ-নগদ কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষকে সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে।
বিশেষ করে হঠাৎ মোবাইলে “লটারি জিতেছেন” এমন মেসেজ পাঠিয়ে, কিংবা সহজ শর্তে লোন দেওয়ার কথা বলে বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হচ্ছে। অনেকেই অজান্তেই এসব প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে গোপনে জুয়ার আসর পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। যুব সমাজের একটি অংশ এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় সামাজিক অবক্ষয়ও বাড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সাধারণ মানুষের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর ও জোরদার অভিযান পরিচালনা করলে চুরি, চাঁদাবাজি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সাথে জনগণকে সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জনমনে এখন একটাই প্রত্যাশা— দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।